
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাপক জুলুম, অত্যাচারের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের নারী খলচরিত্রের অন্যতম অভিনেত্রী রিনা খান। বড় ছেলে জার্মানিতে থাকার পরও সেই ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছে আওয়ামী লীগের লোকজন। গ্রেপ্তারের জন্য ওয়ারেন্টও বের হয়েছে বলে চ্যানেল 24 অনলাইনকে জানালেন এ অভিনেত্রী।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) ছেলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সেই ‘মিথ্যা’ মামলা তুলে নেয়ার ব্যাপারে যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পর্কে পদক্ষেপ নিতে বিএনপি অফিসে এসেছিলেন অভিনেত্রী রিনা খান। জানালেন, এখন কয়েকটি কাগজ হস্তান্তর করতে হবে। তারপর ছেলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ‘মিথ্যা’ মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ায় থাকবে। যা অল্পদিনেই শেষ হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
এদিন চ্যানেল 24 অনলাইনের সঙ্গে আলাপকালে ঢালিউডের প্রখ্যাত এ অভিনেত্রী জানান―শুধু বড় ছেলেকে নিয়েই নয়, ছোট ছেলেকে নিয়েও অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থার লোকজন এসে ছোট ছেলেকে বড় ছেলে দাবি করে নিয়ে যেতে চেয়েছে। নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে তাকে।
রিনা খান বলেন, বিগত সরকারের শাসনামলে আপনারা আমাকে সেভাবে কাজে দেখেননি। বিটিভিতেও ডাকা হতো না। কারণ হিসেবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা জানান জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের (জিসাস) কেন্দ্রীয় কমিটির এ সহ-সভানেত্রী।
এ অভিনেত্রী বলেন, আমি জিসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভানেত্রী। বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলেই আমার আজ এই অবস্থা। আমরা ফ্যাসিস্ট সরকারের উৎখাত চেয়েছি, পেয়েছি। ভবিষ্যতে আমরা আর কোনোদিন আমাদের ওপর, কারও ওপর জুলুম করতে না পারে, সেটাই চাই।
ঢালিউডের অন্যতম এ খলঅভিনেত্রী মামলা থেকে মুক্তির আবেদন জানানোর কথা উল্লেখ করে বলেন, আমি মামলা নিয়ে বিএনপির পার্টি অফিসে এসেছিলাম। আমাদের সালাহউদ্দিন সাহেব আছেন, তিনি আমাদের মুরব্বি, আমাকে অনেক সহায়তা করেছেন। বিএনপির সবাই অনেক সহায়তা করেছেন। আজ আমি একটি আবেদন করলাম ছেলের নামে মামলা প্রত্যাহারের জন্য। অনেক কাজ রেখে সকাল থেকে এসে এসব শুরু করেছি।
প্রসঙ্গত, ১৯৮২ সালে চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক সুভাস দত্তের ‘সোহাগ মিলন’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক করেন রিনা খান। মূলত খলচরিত্রে অভিনয় করে দর্শকহৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তবে বিভিন্ন সিনেমায় ইতিবাচক চরিত্রেও দুর্দান্তভাবে নিজেকে মেলে ধরেছেন এ গুণী অভিনেত্রী। সূত্র-চ্যানেল ২৪
বিনোদন ডেস্ক 







































