বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যৌতুক মামলায় পুলিশ কনস্টেবলকে দেড় বছরের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
যৌতুক মামলায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানায় কর্মরত মামুন মিয়া নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে এক বছর ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতের বিচারক কে. এম. শাহরিয়ার শহীদ বাপ্পী এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত কনস্টেবল মামুন মিয়া (কনস্টেবল নং ৩০৫৯১, বিপি নং ৯২১১১৩৮৮৯৬) জেলার বেলকুচি উপজেলার সরাতৈল গ্রামের কায়েম উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার পর বিকেলে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হুমায়ুন কবীর কর্নেল ও আদালতের পেশকার শহীদুল ইসলাম।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট বেলকুচি উপজেলার কদমতলী গ্রামের রহিম শেখের মেয়ে মীম খাতুনের সঙ্গে মামুন মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কনস্টেবল মামুন ৭ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। এর মধ্যে নগদ ৪ লাখ টাকা এবং ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার পরিশোধ করা হয়। বাকি ১ লাখ টাকার জন্য মীম খাতুনকে নির্যাতন করতেন স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৬ জানুয়ারি মীম খাতুন বাদী হয়ে স্বামী মামুন মিয়া, শ্বশুর কায়েম উদ্দিন এবং শাশুড়ি স্বপ্না খাতুনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণাদি বিশ্লেষণ শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন।
এ ঘটনায় অন্যান্য আসামিদের বিষয়ে আদালতের রায় এখনো প্রকাশ পায়নি।
জনপ্রিয়

প্রশাসনে কোন দলের লোক থাকবে না উপদেষ্টা রিজওয়ান হাসান

যৌতুক মামলায় পুলিশ কনস্টেবলকে দেড় বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৮:২১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
যৌতুক মামলায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচি থানায় কর্মরত মামুন মিয়া নামে এক পুলিশ কনস্টেবলকে এক বছর ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুরে সিরাজগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-১ আদালতের বিচারক কে. এম. শাহরিয়ার শহীদ বাপ্পী এই রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত কনস্টেবল মামুন মিয়া (কনস্টেবল নং ৩০৫৯১, বিপি নং ৯২১১১৩৮৮৯৬) জেলার বেলকুচি উপজেলার সরাতৈল গ্রামের কায়েম উদ্দিনের ছেলে। রায় ঘোষণার পর বিকেলে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) হুমায়ুন কবীর কর্নেল ও আদালতের পেশকার শহীদুল ইসলাম।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ আগস্ট বেলকুচি উপজেলার কদমতলী গ্রামের রহিম শেখের মেয়ে মীম খাতুনের সঙ্গে মামুন মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় কনস্টেবল মামুন ৭ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। এর মধ্যে নগদ ৪ লাখ টাকা এবং ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার পরিশোধ করা হয়। বাকি ১ লাখ টাকার জন্য মীম খাতুনকে নির্যাতন করতেন স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৬ জানুয়ারি মীম খাতুন বাদী হয়ে স্বামী মামুন মিয়া, শ্বশুর কায়েম উদ্দিন এবং শাশুড়ি স্বপ্না খাতুনকে আসামি করে আদালতে মামলা করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণাদি বিশ্লেষণ শেষে আদালত এই রায় প্রদান করেন।
এ ঘটনায় অন্যান্য আসামিদের বিষয়ে আদালতের রায় এখনো প্রকাশ পায়নি।