বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎচেষ্টা, সচিব ফারুকের ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেল

নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকার পতনের পর ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও রাস্তাঘাট মেরামতের নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ওমর ফারুক। তবে উপজেলা প্রশাসকের সতর্কতায় শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
জানা গেছে, সম্প্রতি ১ লাখ ২৬ হাজার টাকার একটি বিল ভাউচার তৈরি করে প্রশাসকের কাছে অনুমোদনের জন্য পেশ করেন সচিব ফারুক। কিন্তু প্রকল্প বা কার্যক্রমের বাস্তব অস্তিত্ব না থাকায় উপজেলা প্রশাসক ও কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আনোয়ার সাদাত সেটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি জানান, “ওই বিল আগেও একবার দেওয়া হয়েছিল, যাচাইয়ে সত্যতা না পাওয়ায় ফেরত দেওয়া হয়। এবারও একই কারণে অনুমোদন দেওয়া হয়নি।”
ইউপি সদস্য ও অফিস সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান সেলিম রেজা পদত্যাগের পর থেকে সচিব ফারুক একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। উন্নয়নের নামে ঠিকাদার সাজিয়ে নিজে অর্থ তোলার পাশাপাশি ইউপি সদস্যদের সম্মানী বেতনের সাত মাসের স্বাক্ষর নিয়ে চার মাসের টাকা পরিশোধ করেন। বাকি টাকা ‘উন্নয়ন’ ও ‘সহায়তা’ খাতে খরচের নামে আত্মসাৎ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য বলেন, “বেশ কিছু মাস আগে একই বিল অনুমোদনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলেন সচিব। এখন আবার ইউপি সদস্যদের কৌশলে স্বাক্ষর নিয়ে পুনরায় অনুমোদনের চেষ্টা করছেন। বিষয়টি খুবই দুর্ভাগ্যজনক।”
স্থানীয় সচেতন মহল এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।
জনপ্রিয়

সিরাজগঞ্জে গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বানকে কেন্দ্র করে উল্লাপাড়ায় উত্তেজনা

ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎচেষ্টা, সচিব ফারুকের ষড়যন্ত্র ভেস্তে গেল

প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক:
সরকার পতনের পর ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও রাস্তাঘাট মেরামতের নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি করে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টা করেন সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ওমর ফারুক। তবে উপজেলা প্রশাসকের সতর্কতায় শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
জানা গেছে, সম্প্রতি ১ লাখ ২৬ হাজার টাকার একটি বিল ভাউচার তৈরি করে প্রশাসকের কাছে অনুমোদনের জন্য পেশ করেন সচিব ফারুক। কিন্তু প্রকল্প বা কার্যক্রমের বাস্তব অস্তিত্ব না থাকায় উপজেলা প্রশাসক ও কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আনোয়ার সাদাত সেটি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি জানান, “ওই বিল আগেও একবার দেওয়া হয়েছিল, যাচাইয়ে সত্যতা না পাওয়ায় ফেরত দেওয়া হয়। এবারও একই কারণে অনুমোদন দেওয়া হয়নি।”
ইউপি সদস্য ও অফিস সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান সেলিম রেজা পদত্যাগের পর থেকে সচিব ফারুক একের পর এক বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। উন্নয়নের নামে ঠিকাদার সাজিয়ে নিজে অর্থ তোলার পাশাপাশি ইউপি সদস্যদের সম্মানী বেতনের সাত মাসের স্বাক্ষর নিয়ে চার মাসের টাকা পরিশোধ করেন। বাকি টাকা ‘উন্নয়ন’ ও ‘সহায়তা’ খাতে খরচের নামে আত্মসাৎ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য বলেন, “বেশ কিছু মাস আগে একই বিল অনুমোদনের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছিলেন সচিব। এখন আবার ইউপি সদস্যদের কৌশলে স্বাক্ষর নিয়ে পুনরায় অনুমোদনের চেষ্টা করছেন। বিষয়টি খুবই দুর্ভাগ্যজনক।”
স্থানীয় সচেতন মহল এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।