শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইবিতে যৌথ আয়োজনে আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

হারুন অর রশিদ, ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আবৃত্তি আবৃত্তি ও কণ্ঠতরঙ্গের যৌথ আয়োজনে আবৃত্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় বীর শ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনের ১১৬ নম্বর কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কণ্ঠতরঙ্গের সদস্য ও আবৃত্তি আবৃত্তির আজীবন সদস্য রেজাউল করিম বিপ্লব। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি আবৃত্তির আজীবন সদস্য খান মাজহারুল ইসলাম টিপু ও গোলাম রব্বানী, বিপেন রায়, অনুষ্ঠানবিষয়ক সম্পাদক আতিক মুনিম এবং আবৃত্তি আবৃত্তি ও কণ্ঠতরঙ্গের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে আবৃত্তি আবৃত্তির সভাপতি বলেন, “এটি কেবল একটি কবিতা পাঠ বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; এটি মূলত টিপু ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। আমার কবিতার হাতেখড়ি বলা যায় টিপু ভাইয়ের কাছ থেকেই। তাঁর হাত ধরেই আবৃত্তি আবৃত্তি ও কণ্ঠতরঙ্গ আজ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমরা আশাবাদী, ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু উপহার দিতে পারব।”

খান মাজহারুল ইসলাম টিপু বলেন,’ ১০০ বছর পর যদি আমার কবিতা নিয়ে কেউ আনন্দ করে, সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমি যা রেখে গেছি, যদি তা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই আমার সার্থকতা। আজকে যেমন আমরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা কাজী নজরুল ইসলামের কথা বলি—তাঁরা আজ আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁরা যা দিয়েছেন, আমরা তা গ্রহণ করছি, তা থেকে আনন্দ পাচ্ছি। তারা মানুষকে ভালো কিছু দিয়েছেন, প্রিয় কিছু কথা বা উপলব্ধি উপহার দিয়েছেন সেই উপহারগুলো আজ আমাদের কাছে স্বর্ণের মতো হয়ে উঠেছে। সব কথা হয়তো স্বর্ণ হয়ে ওঠে না, কিন্তু কিছু কথা মানুষের হৃদয়ে পাত্রভর্তি স্বর্ণ হয়ে ফিরে আসে। এই উপলব্ধিটুকুই আমার প্রাপ্তি। তাই আমি বলি, জীবনে আমার আর কিছু চাওয়ার নেই। আমি গর্ব করে বলতে পারি, ‘আবারো একজন রবীন্দ্রনাথ লিখেছে’।

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

ইবিতে যৌথ আয়োজনে আবৃত্তি অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

হারুন অর রশিদ, ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আবৃত্তি আবৃত্তি ও কণ্ঠতরঙ্গের যৌথ আয়োজনে আবৃত্তি অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৮ জুন) বেলা ১১টায় বীর শ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনের ১১৬ নম্বর কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কণ্ঠতরঙ্গের সদস্য ও আবৃত্তি আবৃত্তির আজীবন সদস্য রেজাউল করিম বিপ্লব। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি আবৃত্তির আজীবন সদস্য খান মাজহারুল ইসলাম টিপু ও গোলাম রব্বানী, বিপেন রায়, অনুষ্ঠানবিষয়ক সম্পাদক আতিক মুনিম এবং আবৃত্তি আবৃত্তি ও কণ্ঠতরঙ্গের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে আবৃত্তি আবৃত্তির সভাপতি বলেন, “এটি কেবল একটি কবিতা পাঠ বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; এটি মূলত টিপু ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার প্রকাশ। আমার কবিতার হাতেখড়ি বলা যায় টিপু ভাইয়ের কাছ থেকেই। তাঁর হাত ধরেই আবৃত্তি আবৃত্তি ও কণ্ঠতরঙ্গ আজ এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। আমরা আশাবাদী, ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু উপহার দিতে পারব।”

খান মাজহারুল ইসলাম টিপু বলেন,’ ১০০ বছর পর যদি আমার কবিতা নিয়ে কেউ আনন্দ করে, সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। আমি যা রেখে গেছি, যদি তা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, সেটাই আমার সার্থকতা। আজকে যেমন আমরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা কাজী নজরুল ইসলামের কথা বলি—তাঁরা আজ আর আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁরা যা দিয়েছেন, আমরা তা গ্রহণ করছি, তা থেকে আনন্দ পাচ্ছি। তারা মানুষকে ভালো কিছু দিয়েছেন, প্রিয় কিছু কথা বা উপলব্ধি উপহার দিয়েছেন সেই উপহারগুলো আজ আমাদের কাছে স্বর্ণের মতো হয়ে উঠেছে। সব কথা হয়তো স্বর্ণ হয়ে ওঠে না, কিন্তু কিছু কথা মানুষের হৃদয়ে পাত্রভর্তি স্বর্ণ হয়ে ফিরে আসে। এই উপলব্ধিটুকুই আমার প্রাপ্তি। তাই আমি বলি, জীবনে আমার আর কিছু চাওয়ার নেই। আমি গর্ব করে বলতে পারি, ‘আবারো একজন রবীন্দ্রনাথ লিখেছে’।