শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১২ কি.মি. সড়ক ভাঙাচোরা

সাইনবোর্ড-শরণখোলা মহাসড়ক যেন মৃত্যুকূপ, ভোগান্তি চরমে

শরণখোলা  (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের সাইনবোর্ড-শরণখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার অংশে বিশাল গর্ত আর ভাঙাচোরা রাস্তায় নাকাল সাধারণ মানুষ ও যানবাহন। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছে যাত্রী ও পণ্যবোঝাই গাড়ি।
আমড়াগাছিয়া কাঠের পুল থেকে তাফালবাড়ীর শাম বেপারীর বাড়ির সামনে পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা সবচেয়ে করুণ। রাস্তার দুই পাশ ভেঙে প্রস্থ কমে এসেছে মাত্র ১৮ ফুটে। মাঝখানে তৈরি হয়েছে ভয়ঙ্কর গর্তের সারি। এসব গর্তে প্রায়ই গাড়ি আটকে পড়ে, কখনও উল্টে যায়।
দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান এবং পিকআপ মিলিয়ে প্রতিদিন শতাধিক যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু এখন অনেক পরিবহন সংস্থা তাদের গাড়ি এই রুট থেকে সরিয়ে নিচ্ছে।
শরণখোলা বিআরটিসির কাউন্টার পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন“ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালানো মানে প্রতিদিন বিপদ ডেকে আনা। পরিবহন মালিকরা এই রুটে বাস চালাতে ভয় পাচ্ছেন।”
একই কথা বললেন ফালগুনী পরিবহনের রিপন বয়াতী ও হা-মীম পরিবহনের চালক মো. মোজাহিদ।
সড়কের এমন বেহাল দশায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে। স্থানীয়রা বলছেন, এখনই সংস্কার না হলে একদিন এই সড়কই হয়ে উঠবে প্রাণঘাতী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন“সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগে বড় একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও এখন সেটি ছোট পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি কার্যকর হলে ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।”
জনপ্রিয়

আমি অনেক আগে থেকেই বেগম জিয়ার ভক্ত ছিলাম: আসিফ নজরুল

১২ কি.মি. সড়ক ভাঙাচোরা

সাইনবোর্ড-শরণখোলা মহাসড়ক যেন মৃত্যুকূপ, ভোগান্তি চরমে

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫
শরণখোলা  (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের সাইনবোর্ড-শরণখোলা আঞ্চলিক মহাসড়কের প্রায় ১২ কিলোমিটার অংশে বিশাল গর্ত আর ভাঙাচোরা রাস্তায় নাকাল সাধারণ মানুষ ও যানবাহন। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা, যানজটে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকছে যাত্রী ও পণ্যবোঝাই গাড়ি।
আমড়াগাছিয়া কাঠের পুল থেকে তাফালবাড়ীর শাম বেপারীর বাড়ির সামনে পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা সবচেয়ে করুণ। রাস্তার দুই পাশ ভেঙে প্রস্থ কমে এসেছে মাত্র ১৮ ফুটে। মাঝখানে তৈরি হয়েছে ভয়ঙ্কর গর্তের সারি। এসব গর্তে প্রায়ই গাড়ি আটকে পড়ে, কখনও উল্টে যায়।
দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান এবং পিকআপ মিলিয়ে প্রতিদিন শতাধিক যানবাহন এই সড়ক দিয়ে চলাচল করে। কিন্তু এখন অনেক পরিবহন সংস্থা তাদের গাড়ি এই রুট থেকে সরিয়ে নিচ্ছে।
শরণখোলা বিআরটিসির কাউন্টার পরিচালক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন“ভাঙা রাস্তায় গাড়ি চালানো মানে প্রতিদিন বিপদ ডেকে আনা। পরিবহন মালিকরা এই রুটে বাস চালাতে ভয় পাচ্ছেন।”
একই কথা বললেন ফালগুনী পরিবহনের রিপন বয়াতী ও হা-মীম পরিবহনের চালক মো. মোজাহিদ।
সড়কের এমন বেহাল দশায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে। স্থানীয়রা বলছেন, এখনই সংস্কার না হলে একদিন এই সড়কই হয়ে উঠবে প্রাণঘাতী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগেরহাট সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন“সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামতের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আগে বড় একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও এখন সেটি ছোট পরিসরে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পটি কার্যকর হলে ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।”