শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলের হামলা: গাজার ক্যাফে-স্কুল-ত্রাণ কেন্দ্রে নিহত ৯৫

গাজায় একটি ক্যাফে, স্কুল এবং খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে কমপক্ষে ৯৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া একটি হাসপাতালেও হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

সোমবারের হামলায় নিহতদের মধ্যে কমপক্ষে ৬২ জন গাজা শহর এবং ভূখণ্ডের উত্তরে ছিলেন।
এর মধ্যে শুধু উত্তর গাজার সমুদ্রতীরবর্তী একটি ক্যাফে, আল-বাকা ক্যাফেটেরিয়ায় ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৩৯ জন। আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ। নিহতদের মধ্যে সাংবাদিকসহ ক্যাফেতে জড়ো হওয়া নারী ও শিশুরাও ছিলেন।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহিয়া শরীফ জানান, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো এই হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষদের ছিন্নভিন্ন অবস্থায় পেয়েছি। এই জায়গাটি কোনো সংঘাতপূর্ণ এলাকা ছিল না। এখানে একটি জন্মদিনের পার্টিতে শিশুসহ লোকজনে এটি পরিপূর্ণ ছিল।’
 
বোমা হামলায় ক্যাফেটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় এবং মাটিতে একটি বিশাল গর্ত হয়।
এদিকে, সোমবার গাজা শহরের ইয়াফা স্কুলেও বোমা হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। যেখানে শত শত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন।
 সেখানে হামলার আগে পালিয়ে যাওয়া হামাদা আবু জারাদেহ বলেন, বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেয়া হয়েছিল অন্য কোথাও সরে যাওয়ার জন্য।  
এছাড়া হামলা হয়েছে গাজার মধ্যাঞ্চলে। সেখানকার দেইর এল-বালাহতে আল-আকসা হাসপাতালের আঙ্গিনায়ও আক্রমণ চালায় ইসরাইল। 
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হাসপাতালজুড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে। হামলায় তাদের ব্যবহার করা তাঁবুগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এদিক সেদিক ছুটছিল।
 এছাড়া আল জাজিরার প্রতিবেদেনে বলা হয়েছে, ত্রাণের আশায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষকে লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। গাজার দক্ষিণাঞ্চলে খান ইউনিসে বিতর্কিত ‘গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)’-এর ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে খাবারের জন্য অপেক্ষারত মানুষের ওপর চালানো হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হন এবং ৫০ জন আহত হন।
 
জনপ্রিয়

তারেক রহমান সপরিবারে যমুনায়

ইসরাইলের হামলা: গাজার ক্যাফে-স্কুল-ত্রাণ কেন্দ্রে নিহত ৯৫

প্রকাশের সময় : ১০:১৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

গাজায় একটি ক্যাফে, স্কুল এবং খাদ্য বিতরণ কেন্দ্রে বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে কমপক্ষে ৯৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া একটি হাসপাতালেও হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার।

সোমবারের হামলায় নিহতদের মধ্যে কমপক্ষে ৬২ জন গাজা শহর এবং ভূখণ্ডের উত্তরে ছিলেন।
এর মধ্যে শুধু উত্তর গাজার সমুদ্রতীরবর্তী একটি ক্যাফে, আল-বাকা ক্যাফেটেরিয়ায় ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছেন ৩৯ জন। আহত হয়েছেন আরও কয়েক ডজন মানুষ। নিহতদের মধ্যে সাংবাদিকসহ ক্যাফেতে জড়ো হওয়া নারী ও শিশুরাও ছিলেন।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী ইয়াহিয়া শরীফ জানান, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো এই হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষদের ছিন্নভিন্ন অবস্থায় পেয়েছি। এই জায়গাটি কোনো সংঘাতপূর্ণ এলাকা ছিল না। এখানে একটি জন্মদিনের পার্টিতে শিশুসহ লোকজনে এটি পরিপূর্ণ ছিল।’
 
বোমা হামলায় ক্যাফেটি সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে যায় এবং মাটিতে একটি বিশাল গর্ত হয়।
এদিকে, সোমবার গাজা শহরের ইয়াফা স্কুলেও বোমা হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী। যেখানে শত শত বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন।
 সেখানে হামলার আগে পালিয়ে যাওয়া হামাদা আবু জারাদেহ বলেন, বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের মাত্র পাঁচ মিনিট সময় দেয়া হয়েছিল অন্য কোথাও সরে যাওয়ার জন্য।  
এছাড়া হামলা হয়েছে গাজার মধ্যাঞ্চলে। সেখানকার দেইর এল-বালাহতে আল-আকসা হাসপাতালের আঙ্গিনায়ও আক্রমণ চালায় ইসরাইল। 
অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে হাসপাতালজুড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা গেছে। হামলায় তাদের ব্যবহার করা তাঁবুগুলো ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য এদিক সেদিক ছুটছিল।
 এছাড়া আল জাজিরার প্রতিবেদেনে বলা হয়েছে, ত্রাণের আশায় দাঁড়িয়ে থাকা মানুষকে লক্ষ্য করেও হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। গাজার দক্ষিণাঞ্চলে খান ইউনিসে বিতর্কিত ‘গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ)’-এর ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে খাবারের জন্য অপেক্ষারত মানুষের ওপর চালানো হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হন এবং ৫০ জন আহত হন।