রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চা বাগান থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

প্রতীকী ছবি

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার একটি চা বাগান থেকে চা-শ্রমিক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ জুলাই) উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা চা বাগানের ফাঁড়ি বাগান এলবিনটিলা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া। ওই দম্পতি হলেন- দিলীপ বুনারজি (৪৭) ও তার স্ত্রী সারি বুনারজি (৩৮)।

স্থানীয় শ্রমিক নেতা হরগোবিন্দ গোস্বামী বলেন, ‘নিহতের ছোট ছেলে লিটন বুনারজি তার মাকে ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে সামনে গিয়ে দেখেন রাস্তায় পড়ে আছে তার বাবা। পরে আশপাশের লোকজন এসে দেখেন দুজনেই মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।’

ওসি মুরশেদুল আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা হয়তো বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘরের সামনে খালি বোতল পাওয়া গেছে এবং মরদেহের মুখে কিছু দুর্গন্ধ ছিল। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

পুলিশ বলছে, এ দম্পতির দুই ছেলে, এক মেয়ে। বড় ছেলে ঢাকায় কাজ করেন, মেয়ে থাকেন দাদার বাড়িতে। ছোট ছেলে মা-বাবার সঙ্গেই থাকতেন।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

চা বাগান থেকে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১১:৫৩:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ জুলাই ২০২৫

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার একটি চা বাগান থেকে চা-শ্রমিক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৫ জুলাই) উপজেলার ফুলতলা ইউনিয়নের ফুলতলা চা বাগানের ফাঁড়ি বাগান এলবিনটিলা থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মুরশেদুল আলম ভূঁইয়া। ওই দম্পতি হলেন- দিলীপ বুনারজি (৪৭) ও তার স্ত্রী সারি বুনারজি (৩৮)।

স্থানীয় শ্রমিক নেতা হরগোবিন্দ গোস্বামী বলেন, ‘নিহতের ছোট ছেলে লিটন বুনারজি তার মাকে ঘরের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে সামনে গিয়ে দেখেন রাস্তায় পড়ে আছে তার বাবা। পরে আশপাশের লোকজন এসে দেখেন দুজনেই মারা গেছেন। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।’

ওসি মুরশেদুল আলম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা হয়তো বিষপান করে আত্মহত্যা করেছেন। ঘরের সামনে খালি বোতল পাওয়া গেছে এবং মরদেহের মুখে কিছু দুর্গন্ধ ছিল। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

পুলিশ বলছে, এ দম্পতির দুই ছেলে, এক মেয়ে। বড় ছেলে ঢাকায় কাজ করেন, মেয়ে থাকেন দাদার বাড়িতে। ছোট ছেলে মা-বাবার সঙ্গেই থাকতেন।