
রুকন উদ্দিন (কেন্দুয়া-নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:
জীবন চলার পথে মধ্যবিত্তরা অনেকসময় তাদের বাজেটের বাইরে গিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপনের ছাপ নেয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু সত্যিকারের ধনী ব্যক্তিরা এ-সব নিয়ে কখনোই মাথা ঘামায় না। সমাজে স্ট্যাটাস
দেখানোর জন্য মধ্যবিত্তরা যা করে, ধনী ব্যক্তিরা এসবের গুরুত্বই দেয় না।
মধ্যবিত্তরা অনেকসময় দামী ঘড়ি যেমন রোলেক্স কেনেন লোক দেখানোর জন্য, অথচ ধনীরা আরও কম মূল্যের ঘড়ি কেনেন।
ধনীরা ব্র্যান্ডের বা ডিজাইনের পোশাক কিনে তাদের টাকা নষ্ট করেন না, তাদের মধ্যে অনেকেই সাধারণ সাশ্রয় ও আরামদায়ক পোশাককে প্রাধান্য দেয় বেশি। কিন্তু মধ্যবিত্তরা সমাজে ফুটানো দেখানোর জন্য নামি-দামি ব্র্যান্ডের পোশাক কেনেন নিজেদের উপরে ওঠানোর জন্য।
কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েও ধনী ব্যক্তিরা হোন্ডা, টয়োটা বা ফোর্ড-এর মতো গাড়ি চালান, অথচ অনেক মধ্যবিত্তরা ধারদেনা করে বিলাসবহুল গাড়ি কেনেন শুধুমাত্র সমাজে স্ট্যাটাস দেখানোর জন্য।
বড় বড় বাড়ি মানেই বড় ঋণ। অনেক ধনীব্যক্তি নিজের সাধ্য থাকা সত্ত্বেও ধারদেনা না করে সাশ্রয়ী মূল্য বাড়ি কেনেন, অথচ মধ্যবিত্তরা ধারদেনা করে বিলাসবহুল বাড়ি কেনেন যার ঋণ পরিশোধ করতে করতেই হিমশিম খেতে হয়।
অনেক ধনীব্যক্তি বা পরিবার সাদামাটা ও ছোট পরিসরের বিযের কাজ সম্পন্ন বা পছন্দ করে থাকেন, কিন্তু মধ্যবিত্তরা খুব ঘটা করে বৃহৎ পরিসরে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করে থাকেন।
পরিশেষে বলা যায়, আসল সম্পদ দামী জিনিসপত্রে নয়-আর্থিক নিরাপত্তায়। মধ্যবিত্তরা সমাজে স্ট্যাটাস দেখানোর জন্য যেখানে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করে, সেখানে ধনীরা বেশি সঞ্চয় করে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি সফলতাকে বেশি গুরুত্ব দেন।
রুকন উদ্দিন (কেন্দুয়া-নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: 





































