
রুকন উদ্দিন, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় “শিক্ষাবিদ আব্দুর রহমান স্মৃতি বিদ্যালয়” এর চারতলা ভবনের তিনতলার কাজ শেষ হলেও নিচতলার কাজ এখনো অনির্মিত। ফলে শিক্ষকদের অফিসকক্ষ, ছাত্র-ছাত্রীদের শ্রেণিকক্ষ, অবকাঠামোর অসুবিধা, বিশেষকরে শৌচাগার সংকটের কারনে নানামুখী সমস্যার মধ্যে বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া বলেন, নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলার ১০ নং কান্দিউড়া ইউনিয়নের চৌমুরিয়া এলাকায় বিদ্যালয়টি ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। অদ্যাবধি পর্যন্ত এটি নন-এমপিও। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীগণ এখনো সরকারি কোন বেতনভাতার আওতায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি। আমরা শিক্ষক কর্মচারীরা আমাদের পরিবার নিয়ে খুবই আর্থিক সংকটে আছি। তারপরও আমরা সরকারি কারিকুলাম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়ের সুনাম অর্জন করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। বিদ্যালয়টি একেবারেই অজপাড়াগাঁয়ে। প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক ৫ জন এবং খন্ডকালীন শিক্ষক ৬ জন, বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রী ২৯৭ জন। গতবছর বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৯১℅ যদিও এবার তেমন ভাল হয়নি। এবারের ফলাফলের দিকে ২/৩ টি ছাড়া উপজেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফলের চিত্র গতবারের চেয়ে কম।
তিনি আরও বলেন- নন-এমপিও হলেও সরকারীভাবে আমরা একটি চারতলা ভবন পেয়েছিলাম কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তিনতলা কমপ্লিট হলেও নিচতলা এখনো অনির্মিত, কয়েকবছর পার হয়ে গেলেও ঠিকাদার এখনো নির্মাণ করে দিচ্ছেন না, দিবেন দিবেন বলে বছরের পর বছর অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছে। নিচতলার কাজ না করায় শৌচাগারের খুবই সমস্যা হচ্ছে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের। আমরা জেলা শিক্ষা প্রকৌশল বরাবর লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছি।
স্থানীয়রা জানান, ভবনের উপরের তিনতলা চকচকে হলেও নিচতলা সদরঘাট, ধুলাবালি, ময়লা আর অগোছালো পরিবেশ। অবিলম্বে নিচতলার কাজ সম্পন্ন করে বিদ্যালয়টিকে একটি পুর্নাঙ্গ ও নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রুপান্তর করা হোক।
এবিষয়ে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে ঠিকাদার মনু মিয়া জানান, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে নিচতলার অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে দেয়া হবে।
কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমদাদুল হক তালুকদার জানান, বিষয়টি আমি জানিনা এবং বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও আমাকে অবহিত করা হয়নি, তারপরও আমি বিষয়টি দেখবো।
রুকন উদ্দিন, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: 






































