
ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি:
জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয়ে প্রতারণা ও একাধিক নারীর সঙ্গে বিয়ের অভিযোগে মো. সদরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গণপিটুনির পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার পাঠানপাড়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার এক সহযোগীকেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক সদরুল ইসলাম নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন নারীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিনাথপুর বিষপুকুর গ্রামের মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে। এর আগে তিনি জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ছাতিনালী গ্রামের আব্দুর রউফ আকন্দের মেয়েকে বিয়ে করেন। বিয়েতে ৫ লক্ষ টাকা কাবিন ধার্য থাকলেও, বিয়ের আগে তিনি যৌতুক হিসেবে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। তবে বিয়ের মাত্র আড়াই দিনের মাথায় তিনি নিরুদ্দেশ হয়ে যান।
দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর সম্প্রতি তিনি ফের বিয়ের উদ্দেশ্যে ক্ষেতলালের হোপিরহাট এলাকায় আসেন। স্থানীয় ঘটক আমিরুল ইসলাম তাকে পাত্রী দেখানোর সময় তার পরিচয় নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন। সদরুলের অসংলগ্ন আচরণে সন্দেহ আরও ঘনীভূত হলে আমিরুল স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে আটক করেন।
খবর পেয়ে ভুক্তভোগী নারী ও তার পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে সদরুল ও তার সহযোগী আব্দুর রহিমকে (৫৫) শনাক্ত করেন। এরপর উত্তেজিত জনতা তাদের গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। আটক আব্দুর রহিম একই এলাকার আলাল উদ্দিনের ছেলে।
এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, “সেনা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে সদরুলসহ তার এক সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”
ক্ষেতলাল (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি: 







































