বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুপ্রস্তাবে রিাজি না হওয়ায় ভাবিকে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

ছবি-সংগৃহীত

নেত্রকোণার পূর্বধলায় ভাবিকে হত্যা মামলায় মো. রাসেল মিয়া (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে জেলা দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, আসামি রাসেল মিয়া পূর্বধলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে। অপরদিকে নিহতের নাম লিপি আক্তার (৩০)। তিনি একই গ্রামের পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের ১৮ বিজিবির ল্যান্স নায়েক মো. আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল হাসেম।

তিনি বলেন, লিপি আক্তারের স্বামী চাকরির কারণে বাড়িতে থাকতেন না। এ সুযোগে লিপি আক্তারকে চাচাতো দেবর রাসেল মিয়া প্রেমসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। লিপি আক্তার এতে সায় না দেওয়ায় রাসেল মিয়া ক্ষিপ্ত হন। এর জেরে ২০২০ সালে ৩ অক্টোবর রাত আড়াইটার দিকে ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় লিপি আক্তারকে হত্যা করেন রাসেল মিয়া। পরে আক্তারের বড় বোন ফেরদৌসি বেগম মামলা করেন।

তিনি আরও বলেন, মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্য দেওয়ার পাশাপাশি আসামি রাসেল মিয়াও হত্যার দায় স্বীকারোক্তি দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

কুপ্রস্তাবে রিাজি না হওয়ায় ভাবিকে হত্যা, যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

নেত্রকোণার পূর্বধলায় ভাবিকে হত্যা মামলায় মো. রাসেল মিয়া (২৮) নামে এক যুবকের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে জেলা দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। এ সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, আসামি রাসেল মিয়া পূর্বধলা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে। অপরদিকে নিহতের নাম লিপি আক্তার (৩০)। তিনি একই গ্রামের পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের ১৮ বিজিবির ল্যান্স নায়েক মো. আজিজুল ইসলামের স্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আবুল হাসেম।

তিনি বলেন, লিপি আক্তারের স্বামী চাকরির কারণে বাড়িতে থাকতেন না। এ সুযোগে লিপি আক্তারকে চাচাতো দেবর রাসেল মিয়া প্রেমসহ কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। লিপি আক্তার এতে সায় না দেওয়ায় রাসেল মিয়া ক্ষিপ্ত হন। এর জেরে ২০২০ সালে ৩ অক্টোবর রাত আড়াইটার দিকে ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় লিপি আক্তারকে হত্যা করেন রাসেল মিয়া। পরে আক্তারের বড় বোন ফেরদৌসি বেগম মামলা করেন।

তিনি আরও বলেন, মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্য দেওয়ার পাশাপাশি আসামি রাসেল মিয়াও হত্যার দায় স্বীকারোক্তি দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।