বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে মানব পাচারের মামলায় দম্পতিকে ৫ বছরের কারাদণ্ড

  • যশোর অফিস 
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
  • ২২

প্রতীকী ছবি

যশোর অফিস 
যশোরে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় দম্পতিকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ড. আতোয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন যশোর সদর উপজেলার শাখারীগাতি গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে ইমরান হোসেন ও তার স্ত্রী রেক্সোনা বেগম। রায়ের সময় রেকশোনা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানা যায়, গত ২০১৫ সালে ওমানে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ইমরান ও তার স্ত্রী রেক্সোনা বেগম একই উপজেলার বানিয়ারগাতি গ্রামের জুবায়ের হোসেনের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নেন। প্রথমে ৬৫ হাজার টাকা নেওয়ার পর পরে টিকিট দেখিয়ে আরও ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এরপর জুবায়েরকে ওমানে পাঠানো হলেও সেখানে তাকে কয়েকদিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং তার মায়ের কাছে আরও ২ লাখ টাকা চাওয়া হয়।
পরবর্তীতে স্থানীয়দের চাপ ও পরিবারের অনুরোধে ১৬ এপ্রিল জুবায়েরকে অসুস্থ অবস্থায় দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর এক সালিশে ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও তা না মানায় জুবায়ের একই বছরের ২৫ জুন আদালতে মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে দম্পতির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই সাজা প্রদান করেন।
জনপ্রিয়

বালিয়াকান্দিতে দপ্তর প্রধানদের সাথে মত বিনিময় সভায়-এমপি হারুন

যশোরে মানব পাচারের মামলায় দম্পতিকে ৫ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৯:২৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
যশোর অফিস 
যশোরে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের মামলায় দম্পতিকে ৫ বছর করে সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি তাদের ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদন্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ড. আতোয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন যশোর সদর উপজেলার শাখারীগাতি গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে ইমরান হোসেন ও তার স্ত্রী রেক্সোনা বেগম। রায়ের সময় রেকশোনা বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানা যায়, গত ২০১৫ সালে ওমানে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ইমরান ও তার স্ত্রী রেক্সোনা বেগম একই উপজেলার বানিয়ারগাতি গ্রামের জুবায়ের হোসেনের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নেন। প্রথমে ৬৫ হাজার টাকা নেওয়ার পর পরে টিকিট দেখিয়ে আরও ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আদায় করা হয়। এরপর জুবায়েরকে ওমানে পাঠানো হলেও সেখানে তাকে কয়েকদিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করা হয় এবং তার মায়ের কাছে আরও ২ লাখ টাকা চাওয়া হয়।
পরবর্তীতে স্থানীয়দের চাপ ও পরিবারের অনুরোধে ১৬ এপ্রিল জুবায়েরকে অসুস্থ অবস্থায় দেশে ফেরত পাঠানো হয়। এরপর এক সালিশে ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হলেও তা না মানায় জুবায়ের একই বছরের ২৫ জুন আদালতে মামলা করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে দম্পতির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই সাজা প্রদান করেন।