বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে যোগ দিলেন ৫২ নবীন চিকিৎসক

শহিদ জয়, যশোর 
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে একযোগে ৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী নবীন চিকিৎসক যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে দিকে তারা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াতের কাছে যোগদানের কাগজপত্র জমা দেন। এ সময় হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নবযোগদানকারী চিকিৎসকরা সবাই যশোর মেডিকেল কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্স সম্পন্ন করেছেন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তারা এক বছরের জন্য ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এসময়ের মধ্যে তারা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাসিক ভাতা পাবেন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, “নবীন চিকিৎসকদের এই যোগদানের ফলে রোগীরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি তরুণ চিকিৎসকেরাও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী চিকিৎসকদের জন্য ইন্টার্নশিপ একটি বাধ্যতামূলক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই সময়টিতেই একজন চিকিৎসক পরিশ্রম, দক্ষতা ও মানবসেবার অভ্যাস গড়ে তোলে।”
তত্ত্বাবধায়ক জানান, ইন্টার্নশিপে সক্রিয় অংশগ্রহণ একজন চিকিৎসকের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে একজন চিকিৎসক পরবর্তী সময়ে বিসিএস, পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রস্তুত হন।
জনপ্রিয়

দুই সচিবের দফতর বদল

যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে যোগ দিলেন ৫২ নবীন চিকিৎসক

প্রকাশের সময় : ০৩:৪০:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
শহিদ জয়, যশোর 
যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে একযোগে ৫২ জন প্রশিক্ষণার্থী নবীন চিকিৎসক যোগদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে দিকে তারা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াতের কাছে যোগদানের কাগজপত্র জমা দেন। এ সময় হাসপাতালের সিনিয়র চিকিৎসকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
নবযোগদানকারী চিকিৎসকরা সবাই যশোর মেডিকেল কলেজের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্স সম্পন্ন করেছেন। চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তারা এক বছরের জন্য ইন্টার্ন চিকিৎসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এসময়ের মধ্যে তারা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মাসিক ভাতা পাবেন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়াত বলেন, “নবীন চিকিৎসকদের এই যোগদানের ফলে রোগীরা যেমন উপকৃত হবেন, তেমনি তরুণ চিকিৎসকেরাও বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী চিকিৎসকদের জন্য ইন্টার্নশিপ একটি বাধ্যতামূলক ও গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এই সময়টিতেই একজন চিকিৎসক পরিশ্রম, দক্ষতা ও মানবসেবার অভ্যাস গড়ে তোলে।”
তত্ত্বাবধায়ক জানান, ইন্টার্নশিপে সক্রিয় অংশগ্রহণ একজন চিকিৎসকের ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে বড় ধরনের ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে একজন চিকিৎসক পরবর্তী সময়ে বিসিএস, পোস্টগ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্যখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য প্রস্তুত হন।