
গাজায় ইসরাইলের অভিযানকে ‘গণহত্যা’ বলতে রাজি নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রোববার (৩ আগস্ট) তিনি গণহত্যা বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, ৭ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে হামাস ইসরাইলে আক্রমণ করার পর যুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
গাজায় ইসরাইলের গণহত্যার অভিযোগ সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি না এটি গণহত্যা, এটি যুদ্ধ।
এর আগে ইসরাইল যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে, জোর দিয়ে বলেছে, তারা বেসামরিক লোকদের লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালায় না এবং ২২ মাসের অভিযানে বেসামরিক লোকদের সরিয়ে নেয়ার পাশাপাশি ত্রাণ প্রবেশ সহজতর করার প্রচেষ্টা চালিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘৭ অক্টোবর ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল। পেনসিলভানিয়ার অ্যালেনটাউনে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার প্রস্তুতি নেয়ার সময় ট্রাম্প বলেন। এটা ছিল ভয়াবহ, ভয়াবহ ঘটনা। আমার দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনাগুলোর মধ্যে একটি।’
দ্য টাইম অফ ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে হাজার হাজার হামাস সদস্যের দক্ষিণ ইসরাইল আক্রমণে প্রায় ১,২০০ জন নিহত এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল। গাজায় এখনও ৫০ জন জিম্মি রয়েছে, যাদের মধ্যে ২০ জন জীবিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, গাজা সম্পর্কে আরও বিস্তৃতভাবে জানতে চাইলে ট্রাম্প পুনর্ব্যক্ত করেন, যুক্তরাষ্ট্র উপত্যকার ফিলিস্তিনিদের খাওয়ানোর জন্য কাজ করছে।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা চাই জনগণ যেন খাবার পায়। আমরাই একমাত্র দেশ যারা সত্যিই এটা করছে। আমরা জনগণকে খাবার দেয়ার জন্য অর্থ ব্যয় করছি। আর মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ দারুণ কাজ করছেন।
ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন বেশ বড় অনুদান দিচ্ছে, মূলত খাদ্য কেনার জন্য। যাতে মানুষ খেতে পারে। ব্যাপক ক্ষুধা নিয়ে গাজাবাসীর দিন কাটছে এমন খবরের মধ্যে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে গাজায় খাদ্য সহায়তা বৃদ্ধির জন্য অসংখ্য দেশে একত্রিত হয়েছে।
এর আগে ইসরাইল উপত্যকায় দুর্ভিক্ষের খবর অস্বীকার করেছে। তারা হামাসকে ত্রাণ সরবরাহে বাধা এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগ করেছে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 





































