রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ইসরায়েলি হামলা

আরো ৭৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা, যুক্তরাজ্য-ইইউ’র নিন্দা

ছবি-সংগৃহীত

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আরো ৭৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েল-সৃষ্ট অনাহারে শিশুসহ আরো দুইজন মারা গেছেন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।  এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ২৬টি দেশ গাজায় চলমান ‘অকল্পনীয় মাত্রার’ ভোগান্তি ও দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি অবিলম্বে এ সংকট থামাতে ও দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মঙ্গলবার নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। উত্তর গাজার জিকিম ক্রসিংয়ে ত্রাণপ্রার্থীদের ওপর এই হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। সাইয়্যেদ নামের প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, চারপাশে গুলি চলছিল, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।

আমাদের সামনেই মানুষ মারা যাচ্ছিল কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারিনি।মোহাম্মদ আবু নাহাল নামের আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি হামলার সময় পেটে ভর দিয়ে হামাগুড়ি দিচ্ছিলেন-চারপাশে গুলি চলছিল। আমি শুধু আমার বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য এসেছিলাম। খাবার-পানি থাকলে আসতাম না।

গাজায় খাদ্য সহায়তা নিতে গিয়ে নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়ালো এক হাজার ৮৩৮ জনে। তাছাড়া যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুর্ভিক্ষে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৭-এ, যার মধ্যে ১০০-রও বেশি শিশু।

জনপ্রিয়

সুস্থ থাকতে খেতে পারেন যেসব স্বাস্থ্যকর নাস্তা

ইসরায়েলি হামলা

আরো ৭৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা, যুক্তরাজ্য-ইইউ’র নিন্দা

প্রকাশের সময় : ০৯:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় আরো ৭৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েল-সৃষ্ট অনাহারে শিশুসহ আরো দুইজন মারা গেছেন। চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।  এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডাসহ ২৬টি দেশ গাজায় চলমান ‘অকল্পনীয় মাত্রার’ ভোগান্তি ও দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি অবিলম্বে এ সংকট থামাতে ও দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

মঙ্গলবার নিহত ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ত্রাণ নিতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন। উত্তর গাজার জিকিম ক্রসিংয়ে ত্রাণপ্রার্থীদের ওপর এই হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। সাইয়্যেদ নামের প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, চারপাশে গুলি চলছিল, কিছুই বুঝতে পারছিলাম না।

আমাদের সামনেই মানুষ মারা যাচ্ছিল কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারিনি।মোহাম্মদ আবু নাহাল নামের আরেক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তিনি হামলার সময় পেটে ভর দিয়ে হামাগুড়ি দিচ্ছিলেন-চারপাশে গুলি চলছিল। আমি শুধু আমার বাচ্চাদের খাওয়ানোর জন্য এসেছিলাম। খাবার-পানি থাকলে আসতাম না।

গাজায় খাদ্য সহায়তা নিতে গিয়ে নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়ালো এক হাজার ৮৩৮ জনে। তাছাড়া যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুর্ভিক্ষে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৭-এ, যার মধ্যে ১০০-রও বেশি শিশু।