
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি ২০২২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকতেন, তাহলে ইউক্রেন সংঘাত শুরু হত না। আলাস্কায় ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন রুশ প্রেসিডেন্ট। খবর এনডিটিভির।
ট্রাম্পও বারবার দাবি করে আসছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পরিবর্তে সে সময় তিনি ক্ষমতায় থাকলে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত এড়াতে পারতেন।
পুতিন তার এই দাবির প্রতি বিশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছেন। জানান, তিনি বাইডেনকে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে না নিয়ে যাওয়ার জন্য বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন যে, ‘সামরিক পদক্ষেপের ফলে গুরুতর পরিণতি ঘটতে পারে’।
পুতিন বলেন, ‘আমি আপনাকে মনে করিয়ে দিতে চাই যে, ২০২২ সালে, পূর্ববর্তী প্রশাসনের সঙ্গে সবশেষ আলোচনার সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্টকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম যে, পরিস্থিতিকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া উচিত নয়। যেখানে শত্রুতা দেখা দেবে এবং আমি সরাসরি তখনই বলেছিলাম যে এটি একটি বড় ভুল ছিল।’
এরপর তিনি ট্রাম্পের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, যদি ট্রাম্প তখন প্রেসিডেন্ট থাকতেন, তাহলে কোনো যুদ্ধ হত না।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমি একটি খুব ভালো, ব্যবসায়িক এবং বিশ্বাসযোগ্য যোগাযোগ স্থাপন করেছি। আমি বিশ্বাস করি যে, এই পথে এগিয়ে গেলে আমরা ইউক্রেন সংঘাতের সমাপ্তিতে পৌঁছাতে পারব— এবং যত তাড়াতাড়ি, তত ভালো।’
পুতিন ট্রাম্পের ‘বন্ধুত্বপূর্ণ কথোপকথনের সুর’ স্বীকার করে বলেছেন, অতীতে রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক কঠিন ছিল, তবে ‘পরিস্থিতি সংশোধন’ করা প্রয়োজন।
এর আগে, স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১টা ৮ মিনিটে আলাস্কার অ্যানকোরেজে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ট্রাম্প ও পুতিনের বহুল প্রতিক্ষীত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে বৈঠক করেন এই দুই রাষ্ট্রনেতা।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 







































