শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারীর জন্মদিন পালিত

ছবি: সংগৃহীত

ব্রিটিশ নাগরিক এথেল ক্যাটারহ্যাম বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) তার ১১৬তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। কয়েক মাস আগে ব্রাজিলের ইনা ক্যানাবারো লুকাসের মৃত্যু হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির খেতাব অর্জন করেন তিনি।

১৯০৯ সালের ২১ আগস্ট, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পাঁচ বছর আগে, ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিপটন বেলিঙ্গার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এথেল। বর্তমানে তিনি লন্ডনের দক্ষিণে সারে অঞ্চলের একটি কেয়ার হোমে থাকেন। কেয়ার হোম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনি পরিবার নিয়ে নীরবে নিজের মতো করে জন্মদিন পালন করেছেন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্যানুযায়ী, ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘায়ু ব্যক্তি ছিলেন ফ্রান্সের জিন ক্যালমেন্ট। যিনি ১৯৯৭ সালে ১২২ বছর ১৬৪ দিন বয়সে মারা যান। তবে বর্তমানে জীবিতদের মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হলেন এথেল ক্যাটারহ্যাম।

দীর্ঘায়ুর রহস্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হাস্যরস করে এথেল বলেন, আমি কখনো কারো সঙ্গে তর্ক করি না! শুধু শুনি আর যা পছন্দ করি তাই করি। তার তিন নাতি-নাতনি এবং পাঁচ প্রপৌত্র রয়েছে।

গত বছর তিনি রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছ থেকে ১১৫তম জন্মদিনে অভিনন্দন বার্তা পান। তার প্রপিতামহী ছিলেন রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের শেষ জীবিত প্রজা। এথেল শতবর্ষী বয়সেও সক্রিয় ছিলেন। ১০০ বছর বয়সে গাড়ি চালানো বন্ধ করেন তিনি। ২০২০ সালে ১১০ বছর বয়সে করোনা আক্রান্ত হলেও সুস্থ হয়ে ওঠেন।

এদিকে, ব্রিটিশ জন টিনিসউড ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষের খেতাব পান এবং টানা আট মাস তা ধরে রাখেন। তবে গত নভেম্বরে ১১২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।

বর্তমানে জীবিত মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী ব্যক্তি হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম উঠেছে এথেল ক্যাটারহ্যামের। সূত্র : এএফপি

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারীর জন্মদিন পালিত

প্রকাশের সময় : ০৮:৪১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

ব্রিটিশ নাগরিক এথেল ক্যাটারহ্যাম বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) তার ১১৬তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। কয়েক মাস আগে ব্রাজিলের ইনা ক্যানাবারো লুকাসের মৃত্যু হলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির খেতাব অর্জন করেন তিনি।

১৯০৯ সালের ২১ আগস্ট, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পাঁচ বছর আগে, ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শিপটন বেলিঙ্গার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এথেল। বর্তমানে তিনি লন্ডনের দক্ষিণে সারে অঞ্চলের একটি কেয়ার হোমে থাকেন। কেয়ার হোম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তিনি পরিবার নিয়ে নীরবে নিজের মতো করে জন্মদিন পালন করেছেন।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্যানুযায়ী, ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘায়ু ব্যক্তি ছিলেন ফ্রান্সের জিন ক্যালমেন্ট। যিনি ১৯৯৭ সালে ১২২ বছর ১৬৪ দিন বয়সে মারা যান। তবে বর্তমানে জীবিতদের মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হলেন এথেল ক্যাটারহ্যাম।

দীর্ঘায়ুর রহস্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হাস্যরস করে এথেল বলেন, আমি কখনো কারো সঙ্গে তর্ক করি না! শুধু শুনি আর যা পছন্দ করি তাই করি। তার তিন নাতি-নাতনি এবং পাঁচ প্রপৌত্র রয়েছে।

গত বছর তিনি রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছ থেকে ১১৫তম জন্মদিনে অভিনন্দন বার্তা পান। তার প্রপিতামহী ছিলেন রাজা সপ্তম এডওয়ার্ডের শেষ জীবিত প্রজা। এথেল শতবর্ষী বয়সেও সক্রিয় ছিলেন। ১০০ বছর বয়সে গাড়ি চালানো বন্ধ করেন তিনি। ২০২০ সালে ১১০ বছর বয়সে করোনা আক্রান্ত হলেও সুস্থ হয়ে ওঠেন।

এদিকে, ব্রিটিশ জন টিনিসউড ২০২৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষের খেতাব পান এবং টানা আট মাস তা ধরে রাখেন। তবে গত নভেম্বরে ১১২ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয়।

বর্তমানে জীবিত মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সী ব্যক্তি হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম উঠেছে এথেল ক্যাটারহ্যামের। সূত্র : এএফপি