শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্কুল না যাওয়ায় ফোন কেড়ে নিলেন বাবা-মা, অতঃপর…

ছবি: সংগৃহীত

বর্তমান প্রজন্মের বেশিভাগ তরুণ-তরুণী অনলাইন গেম পাবজিতে আসক্ত। পরিবারের পক্ষ থেকে আটকানোর চেষ্টা করলেও সম্ভব হচ্ছে না। তেমনই পাবজিতে আসক্ত ছেলে কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেন এক বাবা-মা। কিন্তু এতে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন দশম শ্রেণিতে পড়া ওই ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ভারতের তেলেঙ্গানার নির্মল জেলায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেটি রিশেন্দ্র নামে ওই ছাত্র প্রতিদিন ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গেম খেলতও। এমনকি সে স্কুলে যেতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, কারণ সে বলেছিল, ক্লাস করলে পাবজি খেলার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না।

ছেলেটির বাবা-মা জানিয়েছেন, তাকে কাউন্সেলিং করার জন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং একজন নিউরোসার্জনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সে অবাধ্য ছিল। ছেলে ডাক্তারকেও হুমকি দিয়েছিল।

এরপর হতাশ হয়ে তারা তিন দিন আগে তাদের ছেলের ফোন কেড়ে নেন। ফলে গেমটি খেলতে না পেরে রিশেন্দ্র আত্মহত্যা করে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে পাবজি আসক্তির অনেক ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। এই বছরের শুরুতে, বিহারের পশ্চিম চম্পারণ জেলায় রেললাইনে গেমটি খেলতে গিয়ে তিন কিশোর ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যায়। কারণ গেম খেলার সময় তাদের কানে ইয়ারফোন ছিল। সূত্র: এনডিটিভি

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

স্কুল না যাওয়ায় ফোন কেড়ে নিলেন বাবা-মা, অতঃপর…

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৯:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

বর্তমান প্রজন্মের বেশিভাগ তরুণ-তরুণী অনলাইন গেম পাবজিতে আসক্ত। পরিবারের পক্ষ থেকে আটকানোর চেষ্টা করলেও সম্ভব হচ্ছে না। তেমনই পাবজিতে আসক্ত ছেলে কাছ থেকে ফোন কেড়ে নেন এক বাবা-মা। কিন্তু এতে অভিমান করে আত্মহত্যা করেছেন দশম শ্রেণিতে পড়া ওই ছেলে।

বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) ভারতের তেলেঙ্গানার নির্মল জেলায় এই ঘটনাটি ঘটেছে।

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বেটি রিশেন্দ্র নামে ওই ছাত্র প্রতিদিন ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গেম খেলতও। এমনকি সে স্কুলে যেতেও অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, কারণ সে বলেছিল, ক্লাস করলে পাবজি খেলার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না।

ছেলেটির বাবা-মা জানিয়েছেন, তাকে কাউন্সেলিং করার জন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং একজন নিউরোসার্জনের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু সে অবাধ্য ছিল। ছেলে ডাক্তারকেও হুমকি দিয়েছিল।

এরপর হতাশ হয়ে তারা তিন দিন আগে তাদের ছেলের ফোন কেড়ে নেন। ফলে গেমটি খেলতে না পেরে রিশেন্দ্র আত্মহত্যা করে।

সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে পাবজি আসক্তির অনেক ঘটনা প্রকাশিত হয়েছে। এই বছরের শুরুতে, বিহারের পশ্চিম চম্পারণ জেলায় রেললাইনে গেমটি খেলতে গিয়ে তিন কিশোর ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যায়। কারণ গেম খেলার সময় তাদের কানে ইয়ারফোন ছিল। সূত্র: এনডিটিভি