বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইবি ল্যাবরেটরী স্কুলে ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলার বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি

ইবি প্রতিনিধি 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখার আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় ইবি ল্যাবরেটরী স্কুলে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় ফুলকুঁড়ি আসরের সমাজসেবা ও সার্কুলেশন সম্পাদক মাহবুব সরকার, প্রধান মেহমান হিসেবে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ফুলকুঁড়ি আসর কুষ্টিয়া শহর শাখার পরিচালক অগ্রপথিক মির্জা সিফাত উপস্থিত ছিলেন।

এসময় দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, “পরিমিত বৃক্ষ না থাকাই পৃথিবী আজ ধ্বংসের মুখে ধাবিত। ছোটবেলায় আমরা যেমন সবুজায়ন দেখেছি  এখন তা দেখা যায় না। এজন্য অনেক বন্য পশু ধ্বংস হয়ে গেছে ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। একটি দেশে শতকরা ২৫ ভাগ বন থাকা প্রয়োজন কিন্তু আমাদের দেশে বনের পরিমাণ কম আছে। আমরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলে  বনের পরিমাণ বেড়ে আস্তে আস্তে ভারসাম্য আসবে। মৃত্যুর সময় জানার পরেও আমাদের বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন। বৃক্ষ ছাড়া পৃথিবীর ভারসাম্য সঠিক থাকে না।”

ফুলকুড়ি আসরের কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক মাহবুব সরকার বলেন,” আজকের এই মহৎ আয়োজনে যে সকল শিক্ষার্থীরা এখানে উপস্থিত আছে তারা সকলে অনন্ত একটি করে কাজ রোপন ও বিতরণ করবো। গাছ রোপনের পাশাপাশি আমরা যেন গাছের পরিচর্যা করতে পারি সে বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। আমরা জানি গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে ও কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমরা সকলে পরিবেশ রক্ষার জন্য গাছ লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবো।”

উল্লেখ্য : “পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজকে গড়ো” স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর ১৯৭৪ সালে একতা, শিক্ষা, চরিত্র, স্বাস্থ্য ও সেবা এই পাঁচটি আদর্শকে সামনে রেখে প্রতিষ্টা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশ, দক্ষতা অর্জন ও চরিত্রবান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা এবং শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংগঠনের প্রতিটি শাখায়ই গঠনমূলক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছে।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

ইবি ল্যাবরেটরী স্কুলে ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলার বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি

প্রকাশের সময় : ০৪:৪০:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

ইবি প্রতিনিধি 

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ফুলকুঁড়ি আসর তারারমেলা শাখার আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় ইবি ল্যাবরেটরী স্কুলে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় ফুলকুঁড়ি আসরের সমাজসেবা ও সার্কুলেশন সম্পাদক মাহবুব সরকার, প্রধান মেহমান হিসেবে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ফুলকুঁড়ি আসর কুষ্টিয়া শহর শাখার পরিচালক অগ্রপথিক মির্জা সিফাত উপস্থিত ছিলেন।

এসময় দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান বলেন, “পরিমিত বৃক্ষ না থাকাই পৃথিবী আজ ধ্বংসের মুখে ধাবিত। ছোটবেলায় আমরা যেমন সবুজায়ন দেখেছি  এখন তা দেখা যায় না। এজন্য অনেক বন্য পশু ধ্বংস হয়ে গেছে ও জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। একটি দেশে শতকরা ২৫ ভাগ বন থাকা প্রয়োজন কিন্তু আমাদের দেশে বনের পরিমাণ কম আছে। আমরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করলে  বনের পরিমাণ বেড়ে আস্তে আস্তে ভারসাম্য আসবে। মৃত্যুর সময় জানার পরেও আমাদের বৃক্ষরোপণ করা প্রয়োজন। বৃক্ষ ছাড়া পৃথিবীর ভারসাম্য সঠিক থাকে না।”

ফুলকুড়ি আসরের কেন্দ্রীয় সমাজসেবা সম্পাদক মাহবুব সরকার বলেন,” আজকের এই মহৎ আয়োজনে যে সকল শিক্ষার্থীরা এখানে উপস্থিত আছে তারা সকলে অনন্ত একটি করে কাজ রোপন ও বিতরণ করবো। গাছ রোপনের পাশাপাশি আমরা যেন গাছের পরিচর্যা করতে পারি সে বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। আমরা জানি গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে ও কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য গাছের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই আমরা সকলে পরিবেশ রক্ষার জন্য গাছ লাগিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করবো।”

উল্লেখ্য : “পৃথিবীকে গড়তে হলে সবার আগে নিজকে গড়ো” স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় শিশু-কিশোর সংগঠন ফুলকুঁড়ি আসর ১৯৭৪ সালে একতা, শিক্ষা, চরিত্র, স্বাস্থ্য ও সেবা এই পাঁচটি আদর্শকে সামনে রেখে প্রতিষ্টা লাভ করে। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশ, দক্ষতা অর্জন ও চরিত্রবান মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা এবং শিশু অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সংগঠনের প্রতিটি শাখায়ই গঠনমূলক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছে।