শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের তিতাস নদীর পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ভারত

ছবি-সংগৃহীত

বাংলাদেশের তিতাস নদীর পানি ব্যবহার করে আগরতলা শহরে পানীয় জল সরবরাহের পরিকল্পনা করছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকার। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা এ তথ্য জানান। খবর ইকোনমিক টাইমসের।

তিতাস নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায়। নদীটি মেঘনা নদীতে গিয়ে মিশেছে এবং সুরমা-মেঘনা নদী ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পরে ত্রিপুরার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, ‘হাওড়া নদী, কালাপানিয়া ও কাটাখাল খাল তিতাস নদীতে গিয়ে মিশেছে। এ কারণে নদীটির সঙ্গে তার যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে।’

তিনি বলেন, আগরতলা পৌর কর্পোরেশনের ৫১টি ওয়ার্ডে পানীয় জলের উৎস হিসেবে তিতাসের পানি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছি। এ বিষয়ে গবেষণা চলছে এবং সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

মানিক সাহা আরও বলেন, আগরতলাসহ রাজ্যের ২০টি শহরাঞ্চলের জন্য জিআইএস মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে আগরতলা শহরের পরিকল্পনার কাজ ইতোমধ্যে ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে প্রায় ৫৩০ কোটি রুপির প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

বাংলাদেশের তিতাস নদীর পানি ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে ভারত

প্রকাশের সময় : ১২:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশের তিতাস নদীর পানি ব্যবহার করে আগরতলা শহরে পানীয় জল সরবরাহের পরিকল্পনা করছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সরকার। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) এক অনুষ্ঠানে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা এ তথ্য জানান। খবর ইকোনমিক টাইমসের।

তিতাস নদীর উৎপত্তি বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায়। নদীটি মেঘনা নদীতে গিয়ে মিশেছে এবং সুরমা-মেঘনা নদী ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পরে ত্রিপুরার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা বলেন, ‘হাওড়া নদী, কালাপানিয়া ও কাটাখাল খাল তিতাস নদীতে গিয়ে মিশেছে। এ কারণে নদীটির সঙ্গে তার যথেষ্ট পরিচিতি রয়েছে।’

তিনি বলেন, আগরতলা পৌর কর্পোরেশনের ৫১টি ওয়ার্ডে পানীয় জলের উৎস হিসেবে তিতাসের পানি ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছি। এ বিষয়ে গবেষণা চলছে এবং সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

মানিক সাহা আরও বলেন, আগরতলাসহ রাজ্যের ২০টি শহরাঞ্চলের জন্য জিআইএস মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে আগরতলা শহরের পরিকল্পনার কাজ ইতোমধ্যে ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তায় নগর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে প্রায় ৫৩০ কোটি রুপির প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে।