শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলার অভিযোগ

রুকন উদ্দিন, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের কুমরুড়া গ্রামে প্রতিবেশীর হামলায় আহত হয়েছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ কোহিনুর আক্তার (৩৫) কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখ সকাল ৯টার দিকে প্রতিবেশী মো. জামাল মিয়া (৪০) কোহিনুর আক্তারের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি কোহিনুরকে জাপটে ধরে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারী জামাল মিয়া গৃহবধূর পরনের কাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় কোহিনুর আক্তারের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়রা তাকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

কোহিনুর আক্তার জানান, চার বছর আগে একই বিবাদী তার ছেলের হাত কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আঙ্গুল কেটে ফেলেছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবারকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছে। হামলার পর বিবাদী প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে বাদীর স্বামী মো. আলমগীর হোসেনসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন স্বাক্ষীর নাম উল্লেখ করেছেন।

বিবাদী মো. জামাল মিয়া ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সম্পুর্ন ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয়

নির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াবেন ড.সৈয়দ রেফাত আহমেদ

কেন্দুয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ১০:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

রুকন উদ্দিন, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:

নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের কুমরুড়া গ্রামে প্রতিবেশীর হামলায় আহত হয়েছেন এক গৃহবধূ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ কোহিনুর আক্তার (৩৫) কেন্দুয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখ সকাল ৯টার দিকে প্রতিবেশী মো. জামাল মিয়া (৪০) কোহিনুর আক্তারের বসতবাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি কোহিনুরকে জাপটে ধরে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে গৃহবধূর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারী জামাল মিয়া গৃহবধূর পরনের কাপড় ধরে টানাহেঁচড়া করে তাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। এ সময় কোহিনুর আক্তারের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়রা তাকে কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

কোহিনুর আক্তার জানান, চার বছর আগে একই বিবাদী তার ছেলের হাত কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে আঙ্গুল কেটে ফেলেছিল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ও তার পরিবারকে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছে। হামলার পর বিবাদী প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে বাদীর স্বামী মো. আলমগীর হোসেনসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন স্বাক্ষীর নাম উল্লেখ করেছেন।

বিবাদী মো. জামাল মিয়া ঘটনার সত্যতা অস্বীকার করে বলেন আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো সম্পুর্ন ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।