বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজায় সাংবাদিকসহ আরও ১০৫ ফিলিস্তিনিকে হত্য করল ইসরায়েল

ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলায় একদিনে আরও ১০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণপ্রার্থী ছিলেন। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হেয়েছে, মঙ্গলবার নিহতদের মধ্যে শুধু গাজা সিটিতেই ৫০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। এ শহরটি পুরোপুরি দখলের চেষ্টায় সর্বাত্মক সামরিক অভিযান চালাচ্ছে দখলদার বাহিনী। মঙ্গলবারের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজার ঘনবসতিপূর্ণ আল-সাবরা এলাকা। এ এলাকায় কয়েকদিন ধরে টানা বোমা ফেলা হচ্ছে। সর্বশেষ হামলায় একটি ত্রাণ শিবিরও আক্রান্ত হয়। সেখানে ৩২ জন হতাহত হন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে মারা গেছে আরও ১৩ জন। এ নিয়ে ক্ষুধাজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬১ জনে। অন্যদিকে ত্রাণ সরবরাহে ভাটা পড়ায় দুর্ভিক্ষ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে।

গাজায় চলমান যুদ্ধ এখন সিদ্ধান্তমূলক ধাপে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সেনাবাহিনীর রিজার্ভ সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, এই অভিযানের লক্ষ্য শুধু হামাসকে পরাজিত করা নয়, বরং পুরো ‘ইরানি অক্ষকে’ দুর্বল করা। এর মধ্যে রয়েছে গাজা, লেবানন, সিরিয়া, ইরান ও ইয়েমেনের হুতিরা।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান আইয়াল জামির নিশ্চিত করেছেন যে, গাজা সিটিতে স্থল অভিযান এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি জানান, আমাদের অভিযান আরও তীব্র হবে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭০ জনের বেশি।

এদিকে আন্তর্জাতিক আদালতে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের আসামি নেতানিয়াহু এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, আমরা হামাসকে পরাজিত করার জন্য লড়ছি।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

গাজায় সাংবাদিকসহ আরও ১০৫ ফিলিস্তিনিকে হত্য করল ইসরায়েল

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলায় একদিনে আরও ১০৫ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে অনেকেই ত্রাণপ্রার্থী ছিলেন। বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হেয়েছে, মঙ্গলবার নিহতদের মধ্যে শুধু গাজা সিটিতেই ৫০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। এ শহরটি পুরোপুরি দখলের চেষ্টায় সর্বাত্মক সামরিক অভিযান চালাচ্ছে দখলদার বাহিনী। মঙ্গলবারের হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজার ঘনবসতিপূর্ণ আল-সাবরা এলাকা। এ এলাকায় কয়েকদিন ধরে টানা বোমা ফেলা হচ্ছে। সর্বশেষ হামলায় একটি ত্রাণ শিবিরও আক্রান্ত হয়। সেখানে ৩২ জন হতাহত হন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে মারা গেছে আরও ১৩ জন। এ নিয়ে ক্ষুধাজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬১ জনে। অন্যদিকে ত্রাণ সরবরাহে ভাটা পড়ায় দুর্ভিক্ষ মারাত্মক রূপ নিচ্ছে।

গাজায় চলমান যুদ্ধ এখন সিদ্ধান্তমূলক ধাপে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সেনাবাহিনীর রিজার্ভ সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, এই অভিযানের লক্ষ্য শুধু হামাসকে পরাজিত করা নয়, বরং পুরো ‘ইরানি অক্ষকে’ দুর্বল করা। এর মধ্যে রয়েছে গাজা, লেবানন, সিরিয়া, ইরান ও ইয়েমেনের হুতিরা।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর প্রধান আইয়াল জামির নিশ্চিত করেছেন যে, গাজা সিটিতে স্থল অভিযান এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি জানান, আমাদের অভিযান আরও তীব্র হবে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত নিহত সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭০ জনের বেশি।

এদিকে আন্তর্জাতিক আদালতে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের আসামি নেতানিয়াহু এক ভিডিও বার্তায় বলেছেন, আমরা হামাসকে পরাজিত করার জন্য লড়ছি।