মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ

বকশীগঞ্জে জোরপূর্বক বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা, তিন পরিবারের সংবাদ সম্মেলন   

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি।।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে রিকশা চালকের পরিবারসহ তিন পরিবারকে জোরপূর্বক বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
বুধবার দুপুরে  বকশীগঞ্জ পৌর শহরের নিরিবিলি রেস্টেুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী রিকশা চালক ও তার পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে পৌর শহরের চরকাউরিয়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের রিকশা চালক তারা মিয়া বলেন, আমি ও আমার চাচা আবুল হোসেন সোয়া ৮ শতাংশ জমি ও আমার ভাবি সালেমা বেগম সোয়া ৮ শতাংশ জমি কয়েক বছর আগে ক্রয় করি। ক্রয়কৃত ১৬ শতাংশ জমিতে বসত ভিটা হিসেবে আমরা তিন পরিবার ব্যবহার করে আসছি।
আমাদের বসত ভিটার সাথে আমাদের পাশের গ্রাম দড়িপাড়া এলাকার মহব্বত আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের জমি রয়েছে। একারণে তিনি আমাদের ১৬ শতাংশ জমিটি তার কাছে বিক্রয় করতে বলেন। আমরা রাজী না হওয়ায় ওই জমি থেকে আমাদের নানাভাবে উচ্ছেদের পাঁয়তারা করে যাচ্ছেন।
আমাদের জমিটি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছেন রফিকুল ইসলাম ও তার লোকজন। তাই আমরা প্রশাসনের কাছে আমাদের জমিটি রক্ষার দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে উচ্ছেদের চেষ্টার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আবুল হোসেন, ভুক্তভোগী সালেমা বেগম উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়

রাজবাড়ীতে বিষাক্ত তামাক চাষে ঝুকছে কৃষক, খাদ্য শস্য উৎপাদন ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা

জামালপুরের বকশীগঞ্জ

বকশীগঞ্জে জোরপূর্বক বসতভিটা থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারা, তিন পরিবারের সংবাদ সম্মেলন   

প্রকাশের সময় : ০৩:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি।।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে রিকশা চালকের পরিবারসহ তিন পরিবারকে জোরপূর্বক বসত ভিটা থেকে উচ্ছেদের পাঁয়তারার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
বুধবার দুপুরে  বকশীগঞ্জ পৌর শহরের নিরিবিলি রেস্টেুরেন্টে সংবাদ সম্মেলন করেন ভুক্তভোগী রিকশা চালক ও তার পরিবার।
সংবাদ সম্মেলনে পৌর শহরের চরকাউরিয়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের রিকশা চালক তারা মিয়া বলেন, আমি ও আমার চাচা আবুল হোসেন সোয়া ৮ শতাংশ জমি ও আমার ভাবি সালেমা বেগম সোয়া ৮ শতাংশ জমি কয়েক বছর আগে ক্রয় করি। ক্রয়কৃত ১৬ শতাংশ জমিতে বসত ভিটা হিসেবে আমরা তিন পরিবার ব্যবহার করে আসছি।
আমাদের বসত ভিটার সাথে আমাদের পাশের গ্রাম দড়িপাড়া এলাকার মহব্বত আলীর ছেলে রফিকুল ইসলামের জমি রয়েছে। একারণে তিনি আমাদের ১৬ শতাংশ জমিটি তার কাছে বিক্রয় করতে বলেন। আমরা রাজী না হওয়ায় ওই জমি থেকে আমাদের নানাভাবে উচ্ছেদের পাঁয়তারা করে যাচ্ছেন।
আমাদের জমিটি জোরপূর্বক দখল করে নেওয়ার চেষ্টা করছেন রফিকুল ইসলাম ও তার লোকজন। তাই আমরা প্রশাসনের কাছে আমাদের জমিটি রক্ষার দাবি জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে উচ্ছেদের চেষ্টার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী আবুল হোসেন, ভুক্তভোগী সালেমা বেগম উপস্থিত ছিলেন।