বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রেমিককে ভিডিও পাঠিয়ে প্রেমিকার আত্মহত্যা

প্রতীকী ছবি

ভারতের দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণীর বিবেকানন্দ পার্ক এলাকায় প্রেমিককে ভিডিও পাঠিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক তরুণী। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে ঘটে এ মর্মান্তিক ঘটনা। পুলিশ জানায়, মৃত তরুণীর নাম সুদীপ্তা মাইতি। ঘটনার আগে তিনি রাহুল নামে এক যুবককে একটি ভিডিও পাঠান। সেখানে গলায় ফাঁস দেওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি। পরে ওই ঘর থেকেই তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারে বলা হয়েছে, বিবেকানন্দ পার্ক এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন সুদীপ্তা। সেখানেই সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুদীপ্তা ওই এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেখানেই সিলিং ফ্যানে ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ভিডিও বার্তা পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে যান রাহুল। তিনিই প্রথম সুদীপ্তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কেন তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মৃত্যুর নেপথ্যের কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

প্রেমিককে ভিডিও পাঠিয়ে প্রেমিকার আত্মহত্যা

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারতের দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণীর বিবেকানন্দ পার্ক এলাকায় প্রেমিককে ভিডিও পাঠিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক তরুণী। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে ঘটে এ মর্মান্তিক ঘটনা। পুলিশ জানায়, মৃত তরুণীর নাম সুদীপ্তা মাইতি। ঘটনার আগে তিনি রাহুল নামে এক যুবককে একটি ভিডিও পাঠান। সেখানে গলায় ফাঁস দেওয়ার ইঙ্গিত দেন তিনি। পরে ওই ঘর থেকেই তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ভারতের সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারে বলা হয়েছে, বিবেকানন্দ পার্ক এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন সুদীপ্তা। সেখানেই সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলে আত্মহত্যা করেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুদীপ্তা ওই এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। সেখানেই সিলিং ফ্যানে ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা করেন।

ভিডিও বার্তা পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে যান রাহুল। তিনিই প্রথম সুদীপ্তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

ঘটনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। কেন তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। মৃত্যুর নেপথ্যের কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।