রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৭৪টি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ চেলসির বিরুদ্ধে

চেলসির বিরুদ্ধে ৭৪টি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ করেছে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। ২০০৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এজেন্টদের অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত অভিযোগে চেলসিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ক্লাবটির নিয়ন্ত্রণে ছিলেন রাশিয়ান ধনকুবের রোমান আব্রামোভিচ। এরপর তিনি এটি বিক্রি করে দেন আমেরিকান বিনিয়োগকারী টড বোয়েলি এবং প্রাইভেট ইকুইটি ফার্ম ক্লিয়ারলেক ক্যাপিটালের নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে।
এফএ জানিয়েছে, রুশ ধনকুবের আব্রামোভিচের মালিকানাধীন চেলসির সেই সময়কালেই ক্লাবটির বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে মূলত ২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুমে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে চেলসির নাম জড়িয়ে গেছে।

রোমান আব্রামোভিচের সময়কালীন চেলসি এজেন্ট, মধ্যস্থতাকারী এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে তৃতীয় পক্ষের বিনিয়োগ সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘন করে। অবশ্য সম্ভাব্য নিয়ম ভাঙার বিষয়টি চেলসি আগেই নাকি এফএ’কে অবহিত করে। এ বিষয়ে সদুত্তরের জন্য লন্ডনের ক্লাবটিকে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে চেলসি জানিয়েছে, ‘ক্লাব কেনা সম্পন্ন হওয়ার আগেই ব্যাপক যাচাই-বাছাইয়ের সময় মালিকা পক্ষ জানতে পারে, অতীতের কিছু লেনদেন সংক্রান্ত আর্থিক প্রতিবেদন অসম্পূর্ণ ছিল এবং এফএ-এর নিয়ম ভঙ্গের সম্ভাবনা ছিল।’

এর আগে ২০১২ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ‘অসম্পূর্ণ আর্থিক তথ্য’ জমা দেয়ার কারণে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে চেলসিকে উয়েফা ৮.৬ মিলিয়ন পাউন্ড জরিমানা করে। মূলত, ফিনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে (এফএফপি) নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে এই আর্থিক শাস্তি পায় ক্লাবটি।
জনপ্রিয়

তাহসান-রোজার সংসার কী কারণে ভাঙছে

৭৪টি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ চেলসির বিরুদ্ধে

প্রকাশের সময় : ০৩:৩১:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চেলসির বিরুদ্ধে ৭৪টি নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ করেছে ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ)। ২০০৯ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এজেন্টদের অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত অভিযোগে চেলসিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

২০০৩ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ক্লাবটির নিয়ন্ত্রণে ছিলেন রাশিয়ান ধনকুবের রোমান আব্রামোভিচ। এরপর তিনি এটি বিক্রি করে দেন আমেরিকান বিনিয়োগকারী টড বোয়েলি এবং প্রাইভেট ইকুইটি ফার্ম ক্লিয়ারলেক ক্যাপিটালের নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে।
এফএ জানিয়েছে, রুশ ধনকুবের আব্রামোভিচের মালিকানাধীন চেলসির সেই সময়কালেই ক্লাবটির বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে মূলত ২০১০-১১ থেকে ২০১৫-১৬ মৌসুমে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে চেলসির নাম জড়িয়ে গেছে।

রোমান আব্রামোভিচের সময়কালীন চেলসি এজেন্ট, মধ্যস্থতাকারী এবং খেলোয়াড়দের মধ্যে তৃতীয় পক্ষের বিনিয়োগ সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘন করে। অবশ্য সম্ভাব্য নিয়ম ভাঙার বিষয়টি চেলসি আগেই নাকি এফএ’কে অবহিত করে। এ বিষয়ে সদুত্তরের জন্য লন্ডনের ক্লাবটিকে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেয়া হয়েছে।

এক বিবৃতিতে চেলসি জানিয়েছে, ‘ক্লাব কেনা সম্পন্ন হওয়ার আগেই ব্যাপক যাচাই-বাছাইয়ের সময় মালিকা পক্ষ জানতে পারে, অতীতের কিছু লেনদেন সংক্রান্ত আর্থিক প্রতিবেদন অসম্পূর্ণ ছিল এবং এফএ-এর নিয়ম ভঙ্গের সম্ভাবনা ছিল।’

এর আগে ২০১২ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে ‘অসম্পূর্ণ আর্থিক তথ্য’ জমা দেয়ার কারণে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে চেলসিকে উয়েফা ৮.৬ মিলিয়ন পাউন্ড জরিমানা করে। মূলত, ফিনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে (এফএফপি) নিয়ম লঙ্ঘনের কারণে এই আর্থিক শাস্তি পায় ক্লাবটি।