রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দাকোপে লজিক প্রকল্পের পানি শোধনাগার পরিদর্শন করলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত

  • ঢাকা ব্যূরো।।
  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৪১

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের লক্ষ্মীখোলায় লজিক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত পানি শোধনাগার পরিদর্শন করেছেন।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি এ প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং পরে শ্রী শ্রী নিতাই গৌর সেবাশ্রমে সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

প্রকল্পের আওতায় নির্মিত শোধনাগার প্রতিঘণ্টায় এক হাজার লিটার এবং দৈনিক নয় হাজার লিটার সুপেয় পানি উৎপাদন করছে। মাত্র ৫০ পয়সা লিটার দরে পানি সরবরাহ করা হয় স্থানীয়দের কাছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ ব্যবহার হচ্ছে রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারে।

মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের মধ্যে খুলনা অন্যতম। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রকৃত পরিস্থিতি অনুধাবন করা জরুরি। লজিক প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় এটি এখন একটি মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন ইইউর ফার্স্ট কাউন্সিলর এডউইন কোয়েক কোয়েক, প্রোগ্রাম ম্যানেজার মেহের নিগার ভূঁইয়া ও জুই চাকমা, ইউএনডিপির সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি সরদার এম আসাদুজ্জামান, হেড অব কমিউনিকেশন এম আব্দুল কাইয়ুম, খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, লজিক প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার একেএম আজাদ রহমান ও দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসমত হোসেন।

লজিক প্রকল্প মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় স্থানীয় সরকারের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকার, ইউএনডিপি, ইউএনসিডিএফ, ইইউ, সুইডেন ও ডেনমার্কের সহযোগিতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে খুলনাসহ দেশের ৯টি জেলার ২৯টি উপজেলার ৯৪টি ইউনিয়নে লজিক প্রকল্প চলমান। ২০১৭ সালে এর যাত্রা শুরু হয়।
জনপ্রিয়

সকালে খালি পেটে গরম পানি খাওয়া কী ক্ষতিকর?

দাকোপে লজিক প্রকল্পের পানি শোধনাগার পরিদর্শন করলেন ইইউ রাষ্ট্রদূত

প্রকাশের সময় : ০৭:০৪:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও ইইউ প্রতিনিধিদলের প্রধান মাইকেল মিলার খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী ইউনিয়নের লক্ষ্মীখোলায় লজিক প্রকল্পের আওতায় নির্মিত পানি শোধনাগার পরিদর্শন করেছেন।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তিনি এ প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং পরে শ্রী শ্রী নিতাই গৌর সেবাশ্রমে সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

প্রকল্পের আওতায় নির্মিত শোধনাগার প্রতিঘণ্টায় এক হাজার লিটার এবং দৈনিক নয় হাজার লিটার সুপেয় পানি উৎপাদন করছে। মাত্র ৫০ পয়সা লিটার দরে পানি সরবরাহ করা হয় স্থানীয়দের কাছে। বিক্রয়লব্ধ অর্থ ব্যবহার হচ্ছে রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কারে।

মতবিনিময় সভায় রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের মধ্যে খুলনা অন্যতম। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের প্রকৃত পরিস্থিতি অনুধাবন করা জরুরি। লজিক প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হওয়ায় এটি এখন একটি মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন ইইউর ফার্স্ট কাউন্সিলর এডউইন কোয়েক কোয়েক, প্রোগ্রাম ম্যানেজার মেহের নিগার ভূঁইয়া ও জুই চাকমা, ইউএনডিপির সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি সরদার এম আসাদুজ্জামান, হেড অব কমিউনিকেশন এম আব্দুল কাইয়ুম, খুলনা জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, লজিক প্রকল্পের প্রজেক্ট ম্যানেজার একেএম আজাদ রহমান ও দাকোপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসমত হোসেন।

লজিক প্রকল্প মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় স্থানীয় সরকারের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। বাংলাদেশ সরকার, ইউএনডিপি, ইউএনসিডিএফ, ইইউ, সুইডেন ও ডেনমার্কের সহযোগিতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমানে খুলনাসহ দেশের ৯টি জেলার ২৯টি উপজেলার ৯৪টি ইউনিয়নে লজিক প্রকল্প চলমান। ২০১৭ সালে এর যাত্রা শুরু হয়।