শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাণীশংকৈলে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন অসহায় নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী তাঁর ভাইকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এজাহার দায়েরের পর পুলিশ এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আসমা খাতুন (২১) পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সন্ধ্যারই গ্রামের এরশাদ আলীর মেয়ে। অসহায় আসমা মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। গত সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে থানার সামনের মেইন সড়ক থেকে স্থানীয় দুই ব্যক্তি—শওকত আলী ওরফে তরকারি (৪৫) ও নাজিরুল ইসলাম (৩৫)—প্রতারণার মাধ্যমে তাকে একটি চার্জার ভ্যানে তুলে অপহরণ করে। পরে তারা খুনিয়া দীঘি স্মৃতিসৌধসংলগ্ন বাঁশঝাড়ে নিয়ে গিয়ে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। প্রায় এক ঘণ্টা নির্যাতনের পর অভিযুক্তরা তাকে মেইন সড়কে ফেলে রেখে যায়। বাড়ি ফিরে আসমা ঘটনাটি তার মামাতো ভাই রেজাউল করিমকে জানান। পরদিন (১০ সেপ্টেম্বর) রেজাউল অভিযুক্তদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বললে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।  পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী আসমা বাদী হয়ে অভিযুক্ত দুইজনের নামে রাণীশংকৈল থানায় এজাহার দায়ের করেন।
রাণীশংকৈল থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, এজাহার দায়ের পরপরই অভিযুক্ত শওকত আলী ওরফে তরকারিকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি নাজিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
জনপ্রিয়

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান পাহলভির

রাণীশংকৈলে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

প্রকাশের সময় : ০৭:০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জাহাঙ্গীর আলম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন অসহায় নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী তাঁর ভাইকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এজাহার দায়েরের পর পুলিশ এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আসমা খাতুন (২১) পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ সন্ধ্যারই গ্রামের এরশাদ আলীর মেয়ে। অসহায় আসমা মানুষের বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। গত সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে থানার সামনের মেইন সড়ক থেকে স্থানীয় দুই ব্যক্তি—শওকত আলী ওরফে তরকারি (৪৫) ও নাজিরুল ইসলাম (৩৫)—প্রতারণার মাধ্যমে তাকে একটি চার্জার ভ্যানে তুলে অপহরণ করে। পরে তারা খুনিয়া দীঘি স্মৃতিসৌধসংলগ্ন বাঁশঝাড়ে নিয়ে গিয়ে গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। প্রায় এক ঘণ্টা নির্যাতনের পর অভিযুক্তরা তাকে মেইন সড়কে ফেলে রেখে যায়। বাড়ি ফিরে আসমা ঘটনাটি তার মামাতো ভাই রেজাউল করিমকে জানান। পরদিন (১০ সেপ্টেম্বর) রেজাউল অভিযুক্তদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বললে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।  পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী আসমা বাদী হয়ে অভিযুক্ত দুইজনের নামে রাণীশংকৈল থানায় এজাহার দায়ের করেন।
রাণীশংকৈল থানার ওসি (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, এজাহার দায়ের পরপরই অভিযুক্ত শওকত আলী ওরফে তরকারিকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামি নাজিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।