
যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যে কনজারভেটিভ অ্যাক্টিভিস্ট ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র চার্লি কার্ক হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর স্পেন্সার কক্স। তিনি বলেন, আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
গ্রেফতার করা ব্যক্তির নাম টাইলার রবিনসন। তিনি এক পারিবারিক বন্ধুকে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে হত্যাকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। ওই বন্ধু বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটন কাউন্টি শেরিফ অফিসে বিষয়টি জানান।
গভর্নর কক্স আরও জানান, রবিনসনের এক আত্মীয় তদন্তকারীদের বলেছেন, সম্প্রতি তিনি অনেক বেশি রাজনৈতিক হয়ে উঠেছিলেন এবং চার্লি কার্ক সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করতেন।
এর আগে বুধবার ইউটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাইপার হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান ৩১ বছর বয়সী চার্লি কার্ক। একটি গুলিতে নিহত এই কনজারভেটিভ লেখক ও পডকাস্ট উপস্থাপক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হত্যার পর প্রায় ৩৩ ঘণ্টা তিনি পুলিশ ও ফেডারেল তদন্তকারীদের হাত থেকে পালিয়ে ছিলেন।
মার্কিন তদন্তকারীরা এর আগে ঘটনাস্থল সংলগ্ন এলাকা থেকে একটি বোল্ট-অ্যাকশন রাইফেল উদ্ধার করেন, যা হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সন্দেহভাজন ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করা হয়েছিল।
চার্লি কার্ক রিপাবলিকান পার্টির তরুণ ভোটারদের মধ্যে সমর্থন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি কনজারভেটিভ শিক্ষার্থী সংগঠন টার্নিং পয়েন্ট ইউএসএর সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
বুধবার তিনি ইউটাহ ভ্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন ‘আমেরিকান কামব্যাক ট্যুর’ নামের ১৫-পর্বের এক প্রচারণার অংশ হিসেবে। এই হত্যাকাণ্ড যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এবং রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান নেতৃবৃন্দসহ বিদেশি সরকারগুলোও।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 




































