বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মার্কিন চাপে ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তির পথে সিরিয়া

ছবি-সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক চাপের মুখে ইসরায়েলের সঙ্গে আংশিক নিরাপত্তা চুক্তির পথে এগোচ্ছে সিরিয়া। আলোচনায় যুক্ত একাধিক সূত্র জানায়, এটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি না হলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে একটি কৌশলগত সমঝোতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সিরিয়ার আশা, চুক্তি হলে ইসরায়েল সীমান্ত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে এবং দেশটির অভ্যন্তরে হামলা বন্ধ করবে।

সূত্রগুলো বলছে, চলতি মাসের শেষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এ চুক্তি বা এর অগ্রগতি নিয়ে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, এই সমঝোতাকে ট্রাম্পের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হোক।

সিরিয়া আলোচনায় কয়েকটি দাবি তুলেছে— ইসরায়েল দখলকৃত সীমান্ত অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার, ১৯৭৪ সালের যুদ্ধবিরতির শর্তে বাফার জোন পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সিরিয়ার ভূখণ্ডে বিমান হামলা ও স্থল অনুপ্রবেশ বন্ধ।

তবে সবচেয়ে বিতর্কিত গোলান মালভূমি ইস্যুটি বর্তমান আলোচনার অংশ নয়। সিরিয়ার দাবি, গোলান তাদের বৈধ ভূখণ্ড এবং তা ফেরত না দিলে পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি সম্ভব নয়।

ইসরায়েল সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা কৌশলগত বিষয়ক মন্ত্রী রন ডার্মারের কার্যালয় থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্র মনে করছে, এই আলোচনা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার অংশ।

সিরিয়া–ইসরায়েলের সর্বশেষ সমঝোতা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে, গোলান মালভূমিকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরতি ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির মাধ্যমে। এর পর থেকে সীমান্ত সংঘর্ষ, বিমান হামলা ও সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরায়েলের একাধিক হামলায় সিরিয়া চাপে রয়েছে, আর সেই পরিস্থিতিতেই নতুন করে এই আলোচনার সূত্রপাত।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

মার্কিন চাপে ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তির পথে সিরিয়া

প্রকাশের সময় : ০২:২৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কূটনৈতিক চাপের মুখে ইসরায়েলের সঙ্গে আংশিক নিরাপত্তা চুক্তির পথে এগোচ্ছে সিরিয়া। আলোচনায় যুক্ত একাধিক সূত্র জানায়, এটি পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি না হলেও দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে একটি কৌশলগত সমঝোতা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সিরিয়ার আশা, চুক্তি হলে ইসরায়েল সীমান্ত এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে এবং দেশটির অভ্যন্তরে হামলা বন্ধ করবে।

সূত্রগুলো বলছে, চলতি মাসের শেষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে এ চুক্তি বা এর অগ্রগতি নিয়ে ঘোষণা দেওয়া হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, এই সমঝোতাকে ট্রাম্পের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরা হোক।

সিরিয়া আলোচনায় কয়েকটি দাবি তুলেছে— ইসরায়েল দখলকৃত সীমান্ত অঞ্চল থেকে সেনা প্রত্যাহার, ১৯৭৪ সালের যুদ্ধবিরতির শর্তে বাফার জোন পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সিরিয়ার ভূখণ্ডে বিমান হামলা ও স্থল অনুপ্রবেশ বন্ধ।

তবে সবচেয়ে বিতর্কিত গোলান মালভূমি ইস্যুটি বর্তমান আলোচনার অংশ নয়। সিরিয়ার দাবি, গোলান তাদের বৈধ ভূখণ্ড এবং তা ফেরত না দিলে পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি সম্ভব নয়।

ইসরায়েল সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কিংবা কৌশলগত বিষয়ক মন্ত্রী রন ডার্মারের কার্যালয় থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্র মনে করছে, এই আলোচনা মূলত যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার অংশ।

সিরিয়া–ইসরায়েলের সর্বশেষ সমঝোতা হয়েছিল ১৯৭৪ সালে, গোলান মালভূমিকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিরতি ও নিরস্ত্রীকরণ চুক্তির মাধ্যমে। এর পর থেকে সীমান্ত সংঘর্ষ, বিমান হামলা ও সামরিক উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরায়েলের একাধিক হামলায় সিরিয়া চাপে রয়েছে, আর সেই পরিস্থিতিতেই নতুন করে এই আলোচনার সূত্রপাত।