শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনকে হত্যার দায়ে ইসমাইল হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর আসামি সাহিদা বেগম অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান।
দণ্ডপ্রাপ্ত ইসমাইল হোসেন কামারখন্দ উপজেলার পাইকোসা পূর্বপাড়া গ্রামের আবু তালহার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. মাসুদুর রহমান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রেমের সম্পর্ক থেকে ইসমাইল হোসেন ও একই গ্রামের আব্দুল হালিম সরকারের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হন সুমাইয়া। ২০২০ সালের ১৯ জুন দুপুরে ইসমাইল স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান।
পরদিন নিহতের ভাই আবু হানিফ সরকার বাদী হয়ে কামারখন্দ থানায় ইসমাইল, তার বাবা আবু তালহা ও মা সাহিদা বেগমকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।
জনপ্রিয়

বেনাপোলে ছাত্রদলের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

সিরাজগঞ্জে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

প্রকাশের সময় : ০৩:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনকে হত্যার দায়ে ইসমাইল হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর আসামি সাহিদা বেগম অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পান।
দণ্ডপ্রাপ্ত ইসমাইল হোসেন কামারখন্দ উপজেলার পাইকোসা পূর্বপাড়া গ্রামের আবু তালহার ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. মাসুদুর রহমান।
মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রেমের সম্পর্ক থেকে ইসমাইল হোসেন ও একই গ্রামের আব্দুল হালিম সরকারের মেয়ে সুমাইয়া খাতুন বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য নির্যাতনের শিকার হন সুমাইয়া। ২০২০ সালের ১৯ জুন দুপুরে ইসমাইল স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যান।
পরদিন নিহতের ভাই আবু হানিফ সরকার বাদী হয়ে কামারখন্দ থানায় ইসমাইল, তার বাবা আবু তালহা ও মা সাহিদা বেগমকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করেন।