রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোয়ালন্দে ইউএনও নাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

রাজবাড়ী প্রতিনিধি:

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়ালন্দ প্রেসক্লাবে দারেক নাথ চৌধুরী ও ভগবান চৌধুরীর উত্তরাধিকারীগণদের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও নাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে দুই লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়া ও সেচ্ছাচারিতার কথা উল্লেখ করেন বক্তারা।
এসময় বক্তব্য রাখেন: ভুক্তভোগী শ্রী বিষ্ণু চৌধুরী, দেবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন মোল্লা এবং সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, হান্নান মোল্লা প্রমুখ।
ভুক্তভোগী শ্রী বিষ্ণু চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইউএনও একজন গণপ্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, আমি এ দেশের একজন নাগরিক। এখানে গেজেটে প্রকাশ যেটা আছে সেটা অমান্য করে অনিয়ম করে ঘাট দেয়, সেটা কীভাবে করে। এটা নীতিমালার বাইরে।
অনিয়ম করে অবৈধ ভাবে ঘাটটি ইজারা দেওয়া হয়েছে। এ ঘাটটি ইজারা পাওয়ার জন্য আমরা দুই লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম ইউএনও কে । কিন্তু এরপরও আমাদের কে ঘাটটি লিজ দেওয়া হয় নাই।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, অন্তরমোড় রাখালগাছি খেয়া ঘাট পাটনি সম্প্রদায়, তেওতা রাজা বাড়ী হইতে আমার ঠাকুর দাদা-দাদীকনাথ (পাটনি), আমার বাবা ভগবান চৌধুরী (পাটনি), আমি বিষ্ণু চৌধুরী,
পেশাদার (পাটনি) হিসেবে দীর্ঘ শত বছর পূর্ব হইতে খেয়া পারাপার কাজ করিয়া আসতেছি। পূর্বে এই খেয়া ঘাট টি পূর্ব হইতেই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় হইতে বাৎসরিক লীজ প্রদান করা হয়ে থাকে। চলতি ২০২৫ সালে এই খেয়াঘাট টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোয়ালন্দ কার্যালয় হইতে লীজ  প্রদানের ঘোষণা দিলে আমি ট্রেন্ডারে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বসত আমাকে লীজ প্রদান না করিয়া অন্য ব্যক্তিকে ওই খেয়া ঘাটটি লীজ প্রদান করা হয়। প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে লীজ পাওয়া ব্যক্তি পাটনি সম্প্রদায়ের নয়। পক্ষান্তরে আমি জন্মগতভাবে পাটনি সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠী এবং আমার পূর্ব পুরুষগণ সকলেই পাটনি সম্প্রদায়ের। পেশাদার পাটনি সম্প্রদায়ের হওয়ায় পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখতে আমার এই আপ্রাণ চেষ্টা। কেননা যুগের পর যুগ আমার এই পেশার সাথে জড়িত, আমাদের রুটি রুজি জীবিকার একমাত্র মাধ্যম এটি। উল্লেখ্য, যে আমি পেশাদার পাটনি হিসাবে এবং আমার পিতামহ থেকে পিতা পর্যন্ত শত বছর আমরাই এই খেয়াঘাটে খেয়া পারাপার করে আসতেছি। আমার অনুকূলে ওই খেয়া ঘাটের লীজ প্রদান না করায় আমি মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩৭১/২০২৫ রিট পিটিশন দায়ের করি। ঐ রিট পিটিশন প্রাথমিক শুনানি অন্তগত ২৭/০৫/২০২৫ তারিখে ২ মাসের জন্য বর্তমান লীজের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করিয়াছেন। পরবর্তীতে রিভিউ শুনানীতে ৬৩৭১/২০২৫ রিট পিটিশনে গত ২৯/০৭/২০২৫ ইং তারিখ হতে ৩ মাসের জন্য বর্তমান লীজের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করেন। কিন্তু বর্তমান লীজি মহামান্য হাইকোর্টের এই আদেশ অমান্য করিয়া খেয়া পারাপারের সকল কার্যক্রম চালিয়া আসিতেছে। আমি একজন পেশাদার পাটনি সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠী হয়ে নিজেদের পৈত্রিক পেশা ধরে রাখার স্বার্থে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে দেবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি,  ইসমাইল হোসেন মোল্লা বলেন,
অন্তর মোড়ে ও রাখালগাছি এর ঘাট এর জন্য আমাদের কাছ থেকে উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা, মনিরুজ্জামানের মাধ্যম দিয়ে দুই লাখ টাকা নিয়ে ছিলো। পরে আমাদের এই ঘাট বিষ্ণু চৌধুরীর দেবে বলে, এক মাস পর অন্য পাটির কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিয়ে ঘাট মৃণাল নামে একজনকে দেওয়া হয়েছে। বৈধ কাগজপত্র যার আছে তাকে ঘাট দেওয়া হয় নাই। আর যার কোন কাগজপত্র নাই, সে কোন পাটনি সম্প্রদায়ের সন্তান না, ঘাট তাকেই দেয়া হয়েছে। এ কাজ গুলো ইউএনও করেছে। অন্য পক্ষ টাকা বেশি দিছে বিধায়
বিষ্ণু চৌধুরী ঘাট পায় নাই। বিষু চৌধুরী দিয়েছিলো দুই লক্ষ আর অন্য পাটি দিয়েছিলো ৪ লক্ষ।
এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা, মো: মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে যা খুশি তাই বলতেই পারে। এরকম কোন ঘটনা আমার সাথে তাদের ঘটে নাই। তারা আমার কাছে এসেছিলো পরামর্শ চাইতে আমি চেষ্টা করেছি তাদের পরামর্শ দেওয়ার।
দুই লক্ষ টাকা নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি  আরো বলেন, এগুলো বানোয়াট।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মো: নাহিদুর রহমান বলেন, যারা পাটনি দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করছে তারা প্রকৃত পাটনি নয়,  তারা এই পেশার সাথে জড়িত না৷ তারা এটাকে নিয়ে পানি খোলা করছে।
দুই লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমি জানি না আসলে এটা দেয়া হয়েছে নেয়া হয়েছে তাহলে টাকা দিলো কারা নিলো কারা। এগুলো প্রমান ছাড়া কথা বলা উচিত না। তাদের কোন নিদিষ্ট প্রমান থাকলে আমাদের কাছে নিয়ে আসুক অথবা আমাদের উধ্বর্তন কতৃপক্ষ আছে জেলা প্রশাসন আছে সেখানে প্রমান গুলো দাখিল করতে পারে। অথবা তারা দুদকেও চাইলে যাইতে পারে। যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারে কোন অসুবিধা নাই।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক, সুলতানা আক্তার জানান, কোন অভিযোগ থাকলে লিখিত ভাবে অভিযোগ দাখিল করতে হবে। সংবাদ সম্মেলন যারা যারা করেছে সংবাদ সম্মেলন তো আমাদের অফিসিয়ালি কাউন্ট করার সুযোগ নাই। এব্যাপারে কেউ লিখিত দিলে লিখিত মুলে ব্যবস্থা নেবো।
উল্লেখ্যঃ নুরাল পাগলের দরবার ও বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় গোয়াল‌ন্দ উপ‌জেলা নির্বাহী অফিসার মো. না‌হিদুর রহমান‌ কে বদলি করা হ‌য়ে‌ছে। তাকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উপ-পরিচালক করা হয়েছে
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবুল হায়াত মো. রফিক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নাহিদুর রহমানকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর উপ-পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে ২১ সেপ্টেম্বর অপরাহ্ণ থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ)
জনপ্রিয়

মব শব্দ ব্যবহারের আগে সংযত হওয়া উচিত: তাজুল ইসলাম

গোয়ালন্দে ইউএনও নাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ১০:৩১:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ী প্রতিনিধি:

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: নাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়ালন্দ প্রেসক্লাবে দারেক নাথ চৌধুরী ও ভগবান চৌধুরীর উত্তরাধিকারীগণদের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও নাহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে দুই লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়া ও সেচ্ছাচারিতার কথা উল্লেখ করেন বক্তারা।
এসময় বক্তব্য রাখেন: ভুক্তভোগী শ্রী বিষ্ণু চৌধুরী, দেবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেন মোল্লা এবং সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, হান্নান মোল্লা প্রমুখ।
ভুক্তভোগী শ্রী বিষ্ণু চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইউএনও একজন গণপ্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, আমি এ দেশের একজন নাগরিক। এখানে গেজেটে প্রকাশ যেটা আছে সেটা অমান্য করে অনিয়ম করে ঘাট দেয়, সেটা কীভাবে করে। এটা নীতিমালার বাইরে।
অনিয়ম করে অবৈধ ভাবে ঘাটটি ইজারা দেওয়া হয়েছে। এ ঘাটটি ইজারা পাওয়ার জন্য আমরা দুই লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম ইউএনও কে । কিন্তু এরপরও আমাদের কে ঘাটটি লিজ দেওয়া হয় নাই।
তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, অন্তরমোড় রাখালগাছি খেয়া ঘাট পাটনি সম্প্রদায়, তেওতা রাজা বাড়ী হইতে আমার ঠাকুর দাদা-দাদীকনাথ (পাটনি), আমার বাবা ভগবান চৌধুরী (পাটনি), আমি বিষ্ণু চৌধুরী,
পেশাদার (পাটনি) হিসেবে দীর্ঘ শত বছর পূর্ব হইতে খেয়া পারাপার কাজ করিয়া আসতেছি। পূর্বে এই খেয়া ঘাট টি পূর্ব হইতেই স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় হইতে বাৎসরিক লীজ প্রদান করা হয়ে থাকে। চলতি ২০২৫ সালে এই খেয়াঘাট টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার গোয়ালন্দ কার্যালয় হইতে লীজ  প্রদানের ঘোষণা দিলে আমি ট্রেন্ডারে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক বসত আমাকে লীজ প্রদান না করিয়া অন্য ব্যক্তিকে ওই খেয়া ঘাটটি লীজ প্রদান করা হয়। প্রকৃতপক্ষে বর্তমানে লীজ পাওয়া ব্যক্তি পাটনি সম্প্রদায়ের নয়। পক্ষান্তরে আমি জন্মগতভাবে পাটনি সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠী এবং আমার পূর্ব পুরুষগণ সকলেই পাটনি সম্প্রদায়ের। পেশাদার পাটনি সম্প্রদায়ের হওয়ায় পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য ধরে রাখতে আমার এই আপ্রাণ চেষ্টা। কেননা যুগের পর যুগ আমার এই পেশার সাথে জড়িত, আমাদের রুটি রুজি জীবিকার একমাত্র মাধ্যম এটি। উল্লেখ্য, যে আমি পেশাদার পাটনি হিসাবে এবং আমার পিতামহ থেকে পিতা পর্যন্ত শত বছর আমরাই এই খেয়াঘাটে খেয়া পারাপার করে আসতেছি। আমার অনুকূলে ওই খেয়া ঘাটের লীজ প্রদান না করায় আমি মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে ৬৩৭১/২০২৫ রিট পিটিশন দায়ের করি। ঐ রিট পিটিশন প্রাথমিক শুনানি অন্তগত ২৭/০৫/২০২৫ তারিখে ২ মাসের জন্য বর্তমান লীজের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করিয়াছেন। পরবর্তীতে রিভিউ শুনানীতে ৬৩৭১/২০২৫ রিট পিটিশনে গত ২৯/০৭/২০২৫ ইং তারিখ হতে ৩ মাসের জন্য বর্তমান লীজের সমস্ত কার্যক্রম স্থগিত করেন। কিন্তু বর্তমান লীজি মহামান্য হাইকোর্টের এই আদেশ অমান্য করিয়া খেয়া পারাপারের সকল কার্যক্রম চালিয়া আসিতেছে। আমি একজন পেশাদার পাটনি সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠী হয়ে নিজেদের পৈত্রিক পেশা ধরে রাখার স্বার্থে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করছি।
সংবাদ সম্মেলনে দেবগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি,  ইসমাইল হোসেন মোল্লা বলেন,
অন্তর মোড়ে ও রাখালগাছি এর ঘাট এর জন্য আমাদের কাছ থেকে উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা, মনিরুজ্জামানের মাধ্যম দিয়ে দুই লাখ টাকা নিয়ে ছিলো। পরে আমাদের এই ঘাট বিষ্ণু চৌধুরীর দেবে বলে, এক মাস পর অন্য পাটির কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিয়ে ঘাট মৃণাল নামে একজনকে দেওয়া হয়েছে। বৈধ কাগজপত্র যার আছে তাকে ঘাট দেওয়া হয় নাই। আর যার কোন কাগজপত্র নাই, সে কোন পাটনি সম্প্রদায়ের সন্তান না, ঘাট তাকেই দেয়া হয়েছে। এ কাজ গুলো ইউএনও করেছে। অন্য পক্ষ টাকা বেশি দিছে বিধায়
বিষ্ণু চৌধুরী ঘাট পায় নাই। বিষু চৌধুরী দিয়েছিলো দুই লক্ষ আর অন্য পাটি দিয়েছিলো ৪ লক্ষ।
এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা, মো: মনিরুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে যা খুশি তাই বলতেই পারে। এরকম কোন ঘটনা আমার সাথে তাদের ঘটে নাই। তারা আমার কাছে এসেছিলো পরামর্শ চাইতে আমি চেষ্টা করেছি তাদের পরামর্শ দেওয়ার।
দুই লক্ষ টাকা নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি  আরো বলেন, এগুলো বানোয়াট।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার, মো: নাহিদুর রহমান বলেন, যারা পাটনি দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করছে তারা প্রকৃত পাটনি নয়,  তারা এই পেশার সাথে জড়িত না৷ তারা এটাকে নিয়ে পানি খোলা করছে।
দুই লক্ষ টাকা ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা আমি জানি না আসলে এটা দেয়া হয়েছে নেয়া হয়েছে তাহলে টাকা দিলো কারা নিলো কারা। এগুলো প্রমান ছাড়া কথা বলা উচিত না। তাদের কোন নিদিষ্ট প্রমান থাকলে আমাদের কাছে নিয়ে আসুক অথবা আমাদের উধ্বর্তন কতৃপক্ষ আছে জেলা প্রশাসন আছে সেখানে প্রমান গুলো দাখিল করতে পারে। অথবা তারা দুদকেও চাইলে যাইতে পারে। যেখানে খুশি সেখানে যেতে পারে কোন অসুবিধা নাই।
রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক, সুলতানা আক্তার জানান, কোন অভিযোগ থাকলে লিখিত ভাবে অভিযোগ দাখিল করতে হবে। সংবাদ সম্মেলন যারা যারা করেছে সংবাদ সম্মেলন তো আমাদের অফিসিয়ালি কাউন্ট করার সুযোগ নাই। এব্যাপারে কেউ লিখিত দিলে লিখিত মুলে ব্যবস্থা নেবো।
উল্লেখ্যঃ নুরাল পাগলের দরবার ও বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় গোয়াল‌ন্দ উপ‌জেলা নির্বাহী অফিসার মো. না‌হিদুর রহমান‌ কে বদলি করা হ‌য়ে‌ছে। তাকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর উপ-পরিচালক করা হয়েছে
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব আবুল হায়াত মো. রফিক স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: নাহিদুর রহমানকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর উপ-পরিচালক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান না করলে ২১ সেপ্টেম্বর অপরাহ্ণ থেকে তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ)