শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইউপিইউ কাউন্সিলে পুনঃনির্বাচিত বাংলাদেশ, ড. ইউনূসের অভিনন্দন

ছবি-সংগৃহীত

ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নের (ইউপিইউ) কাউন্সিল অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএ)-এর সদস্য হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। এই অর্জনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে বাংলাদেশ ১৫৭টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে এবং ১০ দেশের মধ্যে নবম স্থান অধিকার করে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৯ মেয়াদে পরবর্তী চার বছরের জন্য সিএ-র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। পূর্ববর্তী মেয়াদে (২০২১–২০২৫) বাংলাদেশের ভূমিকা সীমিত ছিল-২০২১ সালের নভেম্বরে মাত্র একটি সশরীরে সভায় যোগদান এবং বাকি কার্যক্রম ভার্চুয়ালি অনুসরণ করে, অবদানের উল্লেখযোগ্য সুযোগ ছাড়াই।

অতএব, উদ্বেগ উত্থাপিত হয়েছিল যে এই অংশগ্রহণের অভাব পুনর্নির্বাচনের দরপত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে, একটি সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে, বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জটি কাটিয়ে উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এই ফলাফলকে ‘কূটনৈতিক সাফল্য’ বলে প্রশংসা করেছেন।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ও কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে ডাক ও যোগাযোগ খাতে দেশের সক্রিয়তা প্রমাণিত হয়েছে। আগের মেয়াদে বাংলাদেশের ভূমিকা ছিল সীমিত। এবারের নির্বাচনেও পুনঃনির্বাচন নিয়ে সংশয় ও উদ্বেগ ছিল। তবে সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেই চ্যালেঞ্জ সফলভাবে কাটিয়ে উঠেছে।
জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

ইউপিইউ কাউন্সিলে পুনঃনির্বাচিত বাংলাদেশ, ড. ইউনূসের অভিনন্দন

প্রকাশের সময় : ০৫:২০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়নের (ইউপিইউ) কাউন্সিল অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (সিএ)-এর সদস্য হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। এই অর্জনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে বাংলাদেশ ১৫৭টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ৯৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছে এবং ১০ দেশের মধ্যে নবম স্থান অধিকার করে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ২০২৫-২০২৯ মেয়াদে পরবর্তী চার বছরের জন্য সিএ-র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। পূর্ববর্তী মেয়াদে (২০২১–২০২৫) বাংলাদেশের ভূমিকা সীমিত ছিল-২০২১ সালের নভেম্বরে মাত্র একটি সশরীরে সভায় যোগদান এবং বাকি কার্যক্রম ভার্চুয়ালি অনুসরণ করে, অবদানের উল্লেখযোগ্য সুযোগ ছাড়াই।

অতএব, উদ্বেগ উত্থাপিত হয়েছিল যে এই অংশগ্রহণের অভাব পুনর্নির্বাচনের দরপত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। তবে, একটি সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে, বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জটি কাটিয়ে উঠেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ এই ফলাফলকে ‘কূটনৈতিক সাফল্য’ বলে প্রশংসা করেছেন।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেছেন, বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব ও কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে ডাক ও যোগাযোগ খাতে দেশের সক্রিয়তা প্রমাণিত হয়েছে। আগের মেয়াদে বাংলাদেশের ভূমিকা ছিল সীমিত। এবারের নির্বাচনেও পুনঃনির্বাচন নিয়ে সংশয় ও উদ্বেগ ছিল। তবে সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেই চ্যালেঞ্জ সফলভাবে কাটিয়ে উঠেছে।