মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঙ্গালহালিয়াতে কাজু বাদাম ও কপি চাষ বিষয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মিন্টু কান্তি নাথ (রাজস্থলী-রাঙ্গামাটি)

পাহাড়ের ভুমি কাজু বাদাম ও কফি চাষের জন্যে অন্যতম পাহাড়ে কাজু বাদাম ও কফি চাষ বাড়াতে কৃষক কৃষানী দের এ বিষয়ে উদ্ধুদ্ধ করতে রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলার তিন নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ের হল রুমে “পাহাড়ি এলাকায় কাজু বাদাম ও কফি চাষ পদ্ধতি ও পরিচর্যা শীর্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

রাজস্থলী উপজেলার কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা,উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প” (১ম সংশোধিত) এর আওতায়(২৪ সেপ্টেম্বর)বুধবার সকালে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে রাজস্থলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহারিয়াজ বিশ্বাস ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ রাকিবুর জামান

রাজিব(প্রশিক্ষকের)মাধ্যমে ৬০ জন কৃষক /কৃষাণী দের মধ্য এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

এছাড়া প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিন নং বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা,সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অংসুপ্রু মারমা,রাজস্থলী উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখর চৌধুরী,সাংবাদিক মিন্টু কান্তি নাথ,পুলু মারমা,পাপড়ি দেওয়ানজী,ইউপি মেম্বার থুইসিংমং মারমা প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহারিয়াজ বিশ্বাস জানান এদিকে লাভের দিক বিবেচনা করলে কাজুবাদাম একটি অত্যন্ত লাভজনক ফসল। কেননা এই কাজুবাদাম শুধু বাদাম নয়। এর বহুমাত্রিক ব্যবহার বিদ্যমান। বলা যায় একই অঙ্গে বহুরূপ। বাদামের খোসা থেকে উৎপাদিত তৈল দিয়ে উৎকৃষ্টমানের জৈব বালাইনাশক, ভিনেগার, এলকোহল তৈরি করা যায় বলে বিশেষজ্ঞদের মতামত রয়েছে। বাদামের সদঙ্গে লাগোয়া উপরের ফল থেকে জুস তৈরি করা যেতে পারে। এ কাজু এ্যাপল ফলে ৮০ শতাংশ জুস থাকে। উহা অনেক ঔষধিগুণ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ। এ জুসে কমলালেবুর চেয়ে ছয়গুণ বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এসব প্রক্রিয়াজাত জুস বিক্রি করেও অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব।তাই বেশি বেশি কাজুবাদাম ও কফি চাষ করবেন, কোন বিষয়ে না জানা থাকলে অবশ্যই উপজেলা কৃষি অফিসে এসে যোগাযোগ করবেন।

অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বক্তব্যে বলেন,কাজু বাদাম অত্যন্ত সুস্বাধু ও পুষ্টিকর খাবার। বর্তমানে দেশ ব্যাপী এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটি আমাদের দেশে যে নতুন, তা নয়। অনেক আগে থেকে অঞ্চলভেদে এর একেকটি নাম রয়েছে। পাহাড়ে মারমা ভাষায় বাদাংসি, ত্রিপুরা ভাষায় বাদাম-বাথাই, চাকমা ভাষায় তাজুবাদাম বা তাংগুলো, বম ভাষায় ক্যাশনাক, আর চট্টগ্রামের স্থানীয় ভাষায় টাম বা টামগুলা। এর বৈজ্ঞানিক নাম এনাকারডিয়াম অক্সিডেনটেল। ইংরেজি নাম ক্যাশনাট আর বাংলায় কাজুবাদাম নামে পরিচিত

জনপ্রিয়

গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’-তে সিল দিন: প্রধান উপদেষ্টা

বাঙ্গালহালিয়াতে কাজু বাদাম ও কপি চাষ বিষয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ০৪:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মিন্টু কান্তি নাথ (রাজস্থলী-রাঙ্গামাটি)

পাহাড়ের ভুমি কাজু বাদাম ও কফি চাষের জন্যে অন্যতম পাহাড়ে কাজু বাদাম ও কফি চাষ বাড়াতে কৃষক কৃষানী দের এ বিষয়ে উদ্ধুদ্ধ করতে রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলার তিন নং বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ের হল রুমে “পাহাড়ি এলাকায় কাজু বাদাম ও কফি চাষ পদ্ধতি ও পরিচর্যা শীর্ষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

রাজস্থলী উপজেলার কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা,উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প” (১ম সংশোধিত) এর আওতায়(২৪ সেপ্টেম্বর)বুধবার সকালে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে রাজস্থলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহারিয়াজ বিশ্বাস ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ রাকিবুর জামান

রাজিব(প্রশিক্ষকের)মাধ্যমে ৬০ জন কৃষক /কৃষাণী দের মধ্য এই প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

এছাড়া প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তিন নং বাঙ্গালহালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা,সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা অংসুপ্রু মারমা,রাজস্থলী উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখর চৌধুরী,সাংবাদিক মিন্টু কান্তি নাথ,পুলু মারমা,পাপড়ি দেওয়ানজী,ইউপি মেম্বার থুইসিংমং মারমা প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহারিয়াজ বিশ্বাস জানান এদিকে লাভের দিক বিবেচনা করলে কাজুবাদাম একটি অত্যন্ত লাভজনক ফসল। কেননা এই কাজুবাদাম শুধু বাদাম নয়। এর বহুমাত্রিক ব্যবহার বিদ্যমান। বলা যায় একই অঙ্গে বহুরূপ। বাদামের খোসা থেকে উৎপাদিত তৈল দিয়ে উৎকৃষ্টমানের জৈব বালাইনাশক, ভিনেগার, এলকোহল তৈরি করা যায় বলে বিশেষজ্ঞদের মতামত রয়েছে। বাদামের সদঙ্গে লাগোয়া উপরের ফল থেকে জুস তৈরি করা যেতে পারে। এ কাজু এ্যাপল ফলে ৮০ শতাংশ জুস থাকে। উহা অনেক ঔষধিগুণ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ। এ জুসে কমলালেবুর চেয়ে ছয়গুণ বেশি ভিটামিন সি পাওয়া যায়। এসব প্রক্রিয়াজাত জুস বিক্রি করেও অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব।তাই বেশি বেশি কাজুবাদাম ও কফি চাষ করবেন, কোন বিষয়ে না জানা থাকলে অবশ্যই উপজেলা কৃষি অফিসে এসে যোগাযোগ করবেন।

অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বক্তব্যে বলেন,কাজু বাদাম অত্যন্ত সুস্বাধু ও পুষ্টিকর খাবার। বর্তমানে দেশ ব্যাপী এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এটি আমাদের দেশে যে নতুন, তা নয়। অনেক আগে থেকে অঞ্চলভেদে এর একেকটি নাম রয়েছে। পাহাড়ে মারমা ভাষায় বাদাংসি, ত্রিপুরা ভাষায় বাদাম-বাথাই, চাকমা ভাষায় তাজুবাদাম বা তাংগুলো, বম ভাষায় ক্যাশনাক, আর চট্টগ্রামের স্থানীয় ভাষায় টাম বা টামগুলা। এর বৈজ্ঞানিক নাম এনাকারডিয়াম অক্সিডেনটেল। ইংরেজি নাম ক্যাশনাট আর বাংলায় কাজুবাদাম নামে পরিচিত