বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থালাপতি বিজয়ের জনসভায় পদদলিত হয়ে ৩৯ জনের মৃত্যু

ছবি-সংগৃহীত

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইয়ে অভিনেতা ও রাজনীতিক থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগমের (টিভিকে) জনসভায় পদদলিত হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

হিন্দুস্তান টাইমসের সর্বশেষ আপডেটে জানানো হয়, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন। নিহতদের মধ্যে নারী ১৬ জন, পুরুষ ৯ জন এবং ৬ শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছেন তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী মা সুব্রমানিয়ান।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, থালাপতি বিজয় মঞ্চে পৌঁছালে তাকে কাছ থেকে দেখার জন্য জনতা ব্যারিকেডের দিকে ছুটে আসেন। হঠাৎ করেই সেখানে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেকেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, আর তখনই পদদলনের ঘটনা ঘটে।

অন্য একটি সূত্র জানায়, জনসভায় ৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতির অনুমান করা হলেও সেখানে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ ভিড় জমান। অতিরিক্ত চাপ সামলাতে না পারায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংসহ শীর্ষ নেতারা। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এ দিকে এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, থালাপতি বিজয় নির্ধারিত সময়ের সাত ঘণ্টা পর মঞ্চে উপস্থিত হন। এই দেরির কারণে সেখানে মানুষের ভিড় আরও বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে গাদাগাদি অবস্থার মধ্যেই ঘটে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

থালাপতি বিজয়ের জনসভায় পদদলিত হয়ে ৩৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ১০:১৫:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর রাজধানী চেন্নাইয়ে অভিনেতা ও রাজনীতিক থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগমের (টিভিকে) জনসভায় পদদলিত হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ জনে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

হিন্দুস্তান টাইমসের সর্বশেষ আপডেটে জানানো হয়, এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ জন। নিহতদের মধ্যে নারী ১৬ জন, পুরুষ ৯ জন এবং ৬ শিশু রয়েছে বলে জানিয়েছেন তামিলনাড়ুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী মা সুব্রমানিয়ান।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, থালাপতি বিজয় মঞ্চে পৌঁছালে তাকে কাছ থেকে দেখার জন্য জনতা ব্যারিকেডের দিকে ছুটে আসেন। হঠাৎ করেই সেখানে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেকেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন, আর তখনই পদদলনের ঘটনা ঘটে।

অন্য একটি সূত্র জানায়, জনসভায় ৩০ হাজার মানুষের উপস্থিতির অনুমান করা হলেও সেখানে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ ভিড় জমান। অতিরিক্ত চাপ সামলাতে না পারায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংসহ শীর্ষ নেতারা। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এ দিকে এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, থালাপতি বিজয় নির্ধারিত সময়ের সাত ঘণ্টা পর মঞ্চে উপস্থিত হন। এই দেরির কারণে সেখানে মানুষের ভিড় আরও বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে গাদাগাদি অবস্থার মধ্যেই ঘটে ভয়াবহ এ দুর্ঘটনা।