বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রকাশ্য রাজনীতিতে নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী অলি

ছবি-সংগৃহীত

সম্প্রতি নেপালে সংঘটিত জেন-জি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। প্রথমে খবর বের হয়, পদত্যাগপত্র লিখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন তিনি। কিন্তু, সপ্তাহখানেক না যেতেই জানা যায়, সেনাবাহিনীর হেফাজতে আত্মগোপনে ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত এ প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রকাশ্যে এসে নিজেই অস্তিত্বের জানান দেন তিনি।

এবার কে পি শর্মা অলিকে দেখা গেল নিজ দলের রাজনৈতিক এক অনুষ্ঠানেও। এমনকি সেখান থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ফেরার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

অভ্যুথানের এক মাস না যেতেই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশ্য রাজনীতিতে এমন সক্রিয় হওয়ার ব্যাপারটি বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এরই মধ্যে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের রাজনৈতিক দলের যুব সংগঠন গুন্ডুর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেপি শর্মা। সেখানে তিনি বলেন, আপনারা মনে করেন আমরা এই ভিত্তিহীন সরকারের কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যাব?

নেপালের সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরাই এ দেশকে গড়ব। আমরা দেশকে আবারও সংবিধানের মূলধারায় নিয়ে আসব। আমরা দেশকে শান্তিতে এবং সুশাসনে ফিরিয়ে আনব।

একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানে সৃষ্ট সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আসেনি। তারা এসেছে সহিংতা ও ভাঙচুরের মাধ্যমে।

এছাড়া, কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন না বলেও দাবি করেন কেপি শর্মা। সেইসঙ্গে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় প্রশাসনকে তিনি কি কি নির্দেশনা দিয়েছেন সেগুলোর রেকর্ডিং যেন প্রকাশ করা হয়।

এদিকে, সুশীলা কার্কির অন্তর্বর্তী সরকার কেপি শর্মা বাদেও তার সরকারের অনেক মন্ত্রীর পাসপোর্ট জব্দ করতে যাচ্ছে। এ নিয়ে নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমনটা করার মাধ্যমে তার অধিকার ক্ষুন্ন করছে অন্তর্বর্তী সরকার।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশ্য রাজনীতিতে নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী অলি

প্রকাশের সময় : ১০:৫১:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সম্প্রতি নেপালে সংঘটিত জেন-জি বিপ্লবে ক্ষমতাচ্যুত হন দেশটির প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। প্রথমে খবর বের হয়, পদত্যাগপত্র লিখে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন তিনি। কিন্তু, সপ্তাহখানেক না যেতেই জানা যায়, সেনাবাহিনীর হেফাজতে আত্মগোপনে ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত এ প্রধানমন্ত্রী। এরপর প্রকাশ্যে এসে নিজেই অস্তিত্বের জানান দেন তিনি।

এবার কে পি শর্মা অলিকে দেখা গেল নিজ দলের রাজনৈতিক এক অনুষ্ঠানেও। এমনকি সেখান থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ফেরার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।

অভ্যুথানের এক মাস না যেতেই ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশ্য রাজনীতিতে এমন সক্রিয় হওয়ার ব্যাপারটি বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এরই মধ্যে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের রাজনৈতিক দলের যুব সংগঠন গুন্ডুর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন কেপি শর্মা। সেখানে তিনি বলেন, আপনারা মনে করেন আমরা এই ভিত্তিহীন সরকারের কাছে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে পালিয়ে যাব?

নেপালের সদ্য ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরাই এ দেশকে গড়ব। আমরা দেশকে আবারও সংবিধানের মূলধারায় নিয়ে আসব। আমরা দেশকে শান্তিতে এবং সুশাসনে ফিরিয়ে আনব।

একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গণঅভ্যুত্থানে সৃষ্ট সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে আসেনি। তারা এসেছে সহিংতা ও ভাঙচুরের মাধ্যমে।

এছাড়া, কোনো ধরনের ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন না বলেও দাবি করেন কেপি শর্মা। সেইসঙ্গে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সরকারকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় প্রশাসনকে তিনি কি কি নির্দেশনা দিয়েছেন সেগুলোর রেকর্ডিং যেন প্রকাশ করা হয়।

এদিকে, সুশীলা কার্কির অন্তর্বর্তী সরকার কেপি শর্মা বাদেও তার সরকারের অনেক মন্ত্রীর পাসপোর্ট জব্দ করতে যাচ্ছে। এ নিয়ে নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমনটা করার মাধ্যমে তার অধিকার ক্ষুন্ন করছে অন্তর্বর্তী সরকার।