সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নবীজি (সা.)-এর মা-বাবার যেভাবে বিয়ে হয়েছিল

  • ধর্ম ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩০

ছবি-সংগৃহীত

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাবার নাম আব্দুল্লাহ। আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানদের মধ্যে আব্দুল্লাহ ছিলেন সব চাইতে সুন্দর এবং সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী। তিনি ছিলেন পিতার অত্যন্ত প্রিয়পাত্র।

আব্দুল মুত্তালিব স্বীয় সন্তান আব্দুল্লাহর বিয়ের জন্য আমিনাকে মনোনীত করেন। তিনি ছিলেন ওয়াহাব বিন আবদে মানাফ বিন যুহরা বিন কিলাবের কন্যা। বংশপরম্পরা এবং মর্যাদার দিক দিয়ে তাকে কুরাইশ গোত্রের মধ্যে উন্নত মানের নারী ধরা হতো। তার পিতা ছিলেন বিখ্যাত বনু যুহরা গোত্রের দলপতি।

 বিয়ের পর আমিনা মক্কায় স্বামীর ঘরে আসেন এবং স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতে থাকেন। কিন্তু অল্পদিন পরেই আব্দুল মুত্তালিব ব্যবসা উপলক্ষে খেজুর আনার জন্য আব্দুল্লাহকে মদিনায় পাঠান। তিনি সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।
 
কোনো কোনো ইতিহাসবিদের মতে তিনি শামদেশে ব্যবসার জন্য গিয়েছিলেন। ব্যবসার কাজ শেষে এক কুরাইশ কাফেলার সঙ্গে মক্কা ফেরার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কাফেলা তখন মদিনায় যাত্রাবিরতি দেয়। সেই অসুস্থতার মধ্যেই সেখানে তিনি মারা যান। নাবেগা জাদির বাড়িতে তার কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। সেই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ২৫ বছর। –সময় সংবাদ
জনপ্রিয়

যশোরে অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নবীজি (সা.)-এর মা-বাবার যেভাবে বিয়ে হয়েছিল

প্রকাশের সময় : ১১:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাবার নাম আব্দুল্লাহ। আব্দুল মুত্তালিবের সন্তানদের মধ্যে আব্দুল্লাহ ছিলেন সব চাইতে সুন্দর এবং সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী। তিনি ছিলেন পিতার অত্যন্ত প্রিয়পাত্র।

আব্দুল মুত্তালিব স্বীয় সন্তান আব্দুল্লাহর বিয়ের জন্য আমিনাকে মনোনীত করেন। তিনি ছিলেন ওয়াহাব বিন আবদে মানাফ বিন যুহরা বিন কিলাবের কন্যা। বংশপরম্পরা এবং মর্যাদার দিক দিয়ে তাকে কুরাইশ গোত্রের মধ্যে উন্নত মানের নারী ধরা হতো। তার পিতা ছিলেন বিখ্যাত বনু যুহরা গোত্রের দলপতি।

 বিয়ের পর আমিনা মক্কায় স্বামীর ঘরে আসেন এবং স্বামীর সঙ্গে বসবাস করতে থাকেন। কিন্তু অল্পদিন পরেই আব্দুল মুত্তালিব ব্যবসা উপলক্ষে খেজুর আনার জন্য আব্দুল্লাহকে মদিনায় পাঠান। তিনি সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন।
 
কোনো কোনো ইতিহাসবিদের মতে তিনি শামদেশে ব্যবসার জন্য গিয়েছিলেন। ব্যবসার কাজ শেষে এক কুরাইশ কাফেলার সঙ্গে মক্কা ফেরার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। কাফেলা তখন মদিনায় যাত্রাবিরতি দেয়। সেই অসুস্থতার মধ্যেই সেখানে তিনি মারা যান। নাবেগা জাদির বাড়িতে তার কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। সেই সময় তার বয়স ছিল মাত্র ২৫ বছর। –সময় সংবাদ