বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাপান প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে

ছবি-সংগৃহীত

রক্ষণশীল জাতীয়তাবাদী সানা তাকাইচিকে শনিবার দলের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেছে জাপানের ক্ষমতাসীন দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। দলের এমন সিদ্ধান্ত তাকে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে নিচ্ছে। খবর রয়টার্সের।

ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির কারণে ক্ষুব্ধ জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে ৬৪ বছর বয়সী তাকাইচিকে নির্বাচিত করেছে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। সম্প্রতি বিদেশিদের ওপর বড় ধরনের প্রণোদনা এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিরোধী দলগুলো জনসাধারণকে আকৃষ্ট করছে।

আগামী ১৫ অক্টোবর সংসদে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই ভোটে শিগেরু ইশিবার স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন সানা তাকাইচি।

সংকটে দল
নতুন এলডিপি সভাপতি সম্ভবত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির নেতা হিসেবে শিগেরু ইশিবার স্থলাভিষিক্ত হবেন। তবে এটা এখনো নিশ্চিত নয় কারণ গত বছর ইশিবার অধীনে উভয় কক্ষে দল এবং তাদের জোটের অংশীদাররা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ফর দ্য পিপল এবং অভিবাসন-বিরোধী সানসেইতোসহ অন্যান্য বিভিন্ন দল ক্রমাগত ভোটারদের, বিশেষ করে তরুণদের এলডিপি থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছে।

দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোটের আগে তাকাইচি তার বক্তৃতায় বলেন, সম্প্রতি আমি দেশজুড়ে কঠোর কণ্ঠস্বর শুনেছি যে আমরা জানি না এলডিপি আমাদের জন্য কি করছে।

এই জরুরি অবস্থার অনুভূতি আমাকে তাড়িত করেছে। আমি তাদের দৈনন্দিন জীবন এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মানুষের উদ্বেগকে আশায় পরিণত করতে চেয়েছি। তাকাইচি ব্রিটেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারকে নিজের আদর্শ বলে মনে করেন।

তাকাইচি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বিনিয়োগ চুক্তি পুনর্নবীকরণের সম্ভাবনাও বাড়িয়েছেন যা জাপানি করদাতা-সমর্থিত বিনিয়োগের বিনিময়ে শাস্তিমূলক শুল্ক কমিয়েছে।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

জাপান প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে

প্রকাশের সময় : ০১:১৪:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৫

রক্ষণশীল জাতীয়তাবাদী সানা তাকাইচিকে শনিবার দলের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত করেছে জাপানের ক্ষমতাসীন দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। দলের এমন সিদ্ধান্ত তাকে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে নিচ্ছে। খবর রয়টার্সের।

ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির কারণে ক্ষুব্ধ জনসাধারণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে ৬৪ বছর বয়সী তাকাইচিকে নির্বাচিত করেছে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। সম্প্রতি বিদেশিদের ওপর বড় ধরনের প্রণোদনা এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিরোধী দলগুলো জনসাধারণকে আকৃষ্ট করছে।

আগামী ১৫ অক্টোবর সংসদে ভোটাভুটি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই ভোটে শিগেরু ইশিবার স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন সানা তাকাইচি।

সংকটে দল
নতুন এলডিপি সভাপতি সম্ভবত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির নেতা হিসেবে শিগেরু ইশিবার স্থলাভিষিক্ত হবেন। তবে এটা এখনো নিশ্চিত নয় কারণ গত বছর ইশিবার অধীনে উভয় কক্ষে দল এবং তাদের জোটের অংশীদাররা সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে।

ডেমোক্র্যাটিক পার্টি ফর দ্য পিপল এবং অভিবাসন-বিরোধী সানসেইতোসহ অন্যান্য বিভিন্ন দল ক্রমাগত ভোটারদের, বিশেষ করে তরুণদের এলডিপি থেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছে।

দ্বিতীয় রাউন্ডের ভোটের আগে তাকাইচি তার বক্তৃতায় বলেন, সম্প্রতি আমি দেশজুড়ে কঠোর কণ্ঠস্বর শুনেছি যে আমরা জানি না এলডিপি আমাদের জন্য কি করছে।

এই জরুরি অবস্থার অনুভূতি আমাকে তাড়িত করেছে। আমি তাদের দৈনন্দিন জীবন এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মানুষের উদ্বেগকে আশায় পরিণত করতে চেয়েছি। তাকাইচি ব্রিটেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারকে নিজের আদর্শ বলে মনে করেন।

তাকাইচি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একটি বিনিয়োগ চুক্তি পুনর্নবীকরণের সম্ভাবনাও বাড়িয়েছেন যা জাপানি করদাতা-সমর্থিত বিনিয়োগের বিনিময়ে শাস্তিমূলক শুল্ক কমিয়েছে।