
যারা আল্লাহ ও তার রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসবে এবং রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত অনুযায়ী চলবে, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে তিনটি পুরষ্কার দান করবেন। এক. স্বয়ং আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ভালোবাসবেন। দুই. তাদের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। কেননা, পবিত্র কালামে পাকে ইরশাদ হয়েছে,
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ আপনি বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাসো, তাহলে আমার অনুসরণ করো, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন। আর আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সুরা আলে ইমরান, আয়াত-৩১)
তিন. তারা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে জান্নাতে থাকবে। যেমন হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে
مَنْ أَحْيٰ سُنَّتِيْ، فَقَدْ أَحَبَّنِي، مَنْ أَحَبَّنِي كَانَ مَعِي فِي الْجَنَّةِ যে ব্যক্তি আমার সুন্নতকে জীবিত করল, সে আমাকেই ভালোবাসল। আর যে আমাকে ভালোবাসল, সে জান্নাতে আমার সাথেই থাকবে। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস-২৬৭৮)
সাহাবাদের মত নবী প্রেম কাম্য
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন-
اٰمِنُوا كَمَا اٰمَنَ النَّاسُ তোমরা সেভাবে ঈমান আন, লোকেরা (সাহাবাগণ) যেভাবে ঈমান এনেছেন। (সুরা- বাকারা, আয়াত নং-১৩) এ আয়াতের মাঝে একথাও রয়েছে যে, তোমরা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সেভাবেই ভালোবাসবে, যেভাবে সাহাবাগণ ভালোবেসেছেন।
হজরত উমরের ঈমান পূর্ণ হলো
একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজরত উমরের হাত ধরে চলছিলেন। হজরত উমর রা. বললেন- হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনাকে আমার প্রাণ ব্যতিত সব কিছু থেকে বেশী ভালোবাসি। অতঃপর রাসূল সা. বললেন,
اًلْآن يَا عُرُ হে উমর! এখন তুমি পূর্ণ মুমিন হয়েছ। (সহিহ বোখারি, হাদিস নং ৬৬৩২
লেখক: শিক্ষক, লালবাগ মাদ্রাসা ঢাকা, খতিব, আজিমপুর ছাপড়া মসজিদ, পরিচালক, দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশ। —সময় সংবাদ
ধর্ম ডেস্ক 







































