বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

শহিদ জয়, যশোর 
যশোরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যার দায়ে জহিরুল ইসলাম ওরফে বাবু নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক জাকির হোসেন টিপু এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মাহাবুবুর রহমান।
দণ্ডপ্রাপ্ত জহিরুল ইসলাম বাবু যশোর সদর উপজেলার জগন্নাথপুর বিশ্বাসপাড়ার মশিউর বিশ্বাসের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, অভয়নগর উপজেলার সিদ্ধিপাশা গ্রামে ছিল বাবুর শ্বশুরবাড়ি। ২০২২ সালের১৫ জুলাই দুপুরে স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (৩২) এবং দুই মেয়ে সুমাইয়া (৯) ও সাফিয়া (২)-কে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন বাবু। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জেরে ফেরার পথে অভয়নগরের চাঁপাতলা গ্রামে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। পরে মরদেহগুলো যশোর-খুলনা মহাসড়কের চেঙ্গুটিয়া এলাকার একটি বাগানে ফেলে রাখেন।
ঘটনার পর বাবু নিজেই বসুন্দিয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে গিয়ে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তাকে ডিবি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।
ওই ঘটনায় নিহত বিথির বাবা মুজিবর রহমান অভয়নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ের পর থেকেই বাবু তার মেয়ের ওপর নির্যাতন চালাতেন এবং একাধিকবার অর্থ দাবি করতেন। ঘটনার দিনও ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যা করেন বাবু।
পুলিশ তদন্ত শেষে অভয়নগর থানার এসআই গোলাম হোসেন ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সোমবার বাবুর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
জনপ্রিয়

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ায় অমিতকে প্রেসক্লাব বেনাপোলের অভিনন্দন

যশোরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৭:৪১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
শহিদ জয়, যশোর 
যশোরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যার দায়ে জহিরুল ইসলাম ওরফে বাবু নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক জাকির হোসেন টিপু এ রায় ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মাহাবুবুর রহমান।
দণ্ডপ্রাপ্ত জহিরুল ইসলাম বাবু যশোর সদর উপজেলার জগন্নাথপুর বিশ্বাসপাড়ার মশিউর বিশ্বাসের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, অভয়নগর উপজেলার সিদ্ধিপাশা গ্রামে ছিল বাবুর শ্বশুরবাড়ি। ২০২২ সালের১৫ জুলাই দুপুরে স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (৩২) এবং দুই মেয়ে সুমাইয়া (৯) ও সাফিয়া (২)-কে নিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন বাবু। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জেরে ফেরার পথে অভয়নগরের চাঁপাতলা গ্রামে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন তিনি। পরে মরদেহগুলো যশোর-খুলনা মহাসড়কের চেঙ্গুটিয়া এলাকার একটি বাগানে ফেলে রাখেন।
ঘটনার পর বাবু নিজেই বসুন্দিয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে গিয়ে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। পরে তাকে ডিবি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।
ওই ঘটনায় নিহত বিথির বাবা মুজিবর রহমান অভয়নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ের পর থেকেই বাবু তার মেয়ের ওপর নির্যাতন চালাতেন এবং একাধিকবার অর্থ দাবি করতেন। ঘটনার দিনও ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্ত্রী ও সন্তানদের হত্যা করেন বাবু।
পুলিশ তদন্ত শেষে অভয়নগর থানার এসআই গোলাম হোসেন ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সোমবার বাবুর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।