সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশে, জিনিসপত্রের দাম চড়া

ছবি-সংগৃহীত

বর্তমানে বাজারে জিনিসপত্রের দাম ঊর্ধ্বমুখী, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে সবজির দামে। ১০০ টাকার কাঁচামরিচ ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বোরো ধানের ভালো ফলন হলেও চালের দাম প্রত্যাশানুযায়ী কমেনি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদনে এমন চিত্রই উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশে, যা আগের মাস আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই ধরনের পণ্যের দামই বেড়েছে এই মাসে। এই পরিস্থিতি গ্রাম ও শহর দুই ক্ষেত্রেই লক্ষ করা গেছে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) বিবিএসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ প্রতিবেদন। দেশের ৬৪টি জেলার ১৫৪টি হাটবাজার থেকে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার খরচের তথ্য সংগ্রহ করে প্রতি মাসে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) নির্ধারণ করে বিবিএস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ, যেখানে আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আগের মাসে যা ছিল ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ।

গ্রাম ও শহরের মধ্যে মূল্যস্ফীতিতে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা গেছে। সেপ্টেম্বরে গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গ্রামে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি খাদ্যপণ্যের তুলনায় বেশি। ওই মাসে গ্রামীণ খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৪০ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে গত বছরের একই সময়ে এই হার আরও বেশি ছিল সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ খাদ্যপণ্যে ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ।

অন্যদিকে, শহরাঞ্চলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে শহরের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ, আগস্টে যা ছিল ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫১ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। সূত্র-আরটিভি

জনপ্রিয়

চৌগাছার ইজিবাইক–প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষ, শিক্ষার্থীসহ আহত ৭

মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৮.৩৬ শতাংশে, জিনিসপত্রের দাম চড়া

প্রকাশের সময় : ১০:৪৭:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

বর্তমানে বাজারে জিনিসপত্রের দাম ঊর্ধ্বমুখী, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে সবজির দামে। ১০০ টাকার কাঁচামরিচ ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আলু ছাড়া প্রায় সব ধরনের সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বোরো ধানের ভালো ফলন হলেও চালের দাম প্রত্যাশানুযায়ী কমেনি।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত মূল্যস্ফীতির প্রতিবেদনে এমন চিত্রই উঠে এসেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশে, যা আগের মাস আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ। খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত দুই ধরনের পণ্যের দামই বেড়েছে এই মাসে। এই পরিস্থিতি গ্রাম ও শহর দুই ক্ষেত্রেই লক্ষ করা গেছে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) বিবিএসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ প্রতিবেদন। দেশের ৬৪টি জেলার ১৫৪টি হাটবাজার থেকে বিভিন্ন পণ্য ও সেবার খরচের তথ্য সংগ্রহ করে প্রতি মাসে ভোক্তা মূল্যসূচক (সিপিআই) নির্ধারণ করে বিবিএস।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ, যেখানে আগস্টে ছিল ৭ দশমিক ৬০ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ, আগের মাসে যা ছিল ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ।

গ্রাম ও শহরের মধ্যে মূল্যস্ফীতিতে স্পষ্ট পার্থক্য দেখা গেছে। সেপ্টেম্বরে গ্রামে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৪৭ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গ্রামে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি খাদ্যপণ্যের তুলনায় বেশি। ওই মাসে গ্রামীণ খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৪০ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। তবে গত বছরের একই সময়ে এই হার আরও বেশি ছিল সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ খাদ্যপণ্যে ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে ৯ দশমিক ৯১ শতাংশ।

অন্যদিকে, শহরাঞ্চলেও মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সেপ্টেম্বরে শহরের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ, আগস্টে যা ছিল ৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮ দশমিক ৫১ শতাংশ, যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ। সূত্র-আরটিভি