সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাওনা টাকা পরিশোধের দাবিতে সুগারমিল কর্মকর্তা-কর্মচারিদের প্রতিবাদ

আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ
পাওনা টাকা পরিশোধের দাবিতে ঠাকুরগাঁও সুগারমিল কর্মকর্তা-কর্মচারিরা মাননববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি ঠাকুরগাঁও চিনিকল লিমিডেট এর ব্যানারে সুপারমিলের সামনে এ কর্মসুচি পালন করেন তারা।
কয়েক ঘন্টা ধরে চলা কর্মসুচীতে আন্দোলনকারি নেতৃত্বে থাকা ওবাইদুর রহমান, নাসিমুর রহমান, আব্দুর রহমান, রুহুল আমিন, মকবুল হোসেন, আব্দুল আল মাহমুদসহ অকেকেই অভিযোগ করে বলেন, বছরের পর বছর অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের গ্র্যাচুইটিসহ অন্যান্য পাওনাদি এখনো পরিশোধ করেননি। সে কারনে আজ রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
তারা বলেন, অবিলম্বে অবসরপ্রাপ্তদের গ্র্যাচুইটির বকেয়া পাওনা ক্ষতিপূরণসহ সমূদয় অর্থ পরিশোধ করতে হবে, একই সাথে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্তদের উৎসব বোনাস, বৈশাখী ভাতা এবং চিকিৎসা ভাতা প্রদান করতে হবে।
বাতিল করতে হবে অবসরপ্রাপ্তদের গ্র্যাচুইটির ২০% অর্থ প্রদান সংক্রান্ত বোর্ডের সিদ্ধান্ত।
দ্রুত সময়ের মধ্যে পাওনাদি অর্থ পরিশোধ করা না হলে ঐক্যবন্ধ হয়ে ঢাকার রাজপথে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা।
এর আগে তারা বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেন। কর্মসুচি পালন শেষে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মোঃ শাহজাহান কবিরের মাধ্যমে মাননীয় প্রধাণ উপদেষ্টা ও শিল্প মন্ত্রণালয় বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য দাবিসমুহ কাগজপত্র তুলে দেন।
সংগঠনের নেতাদের তথ্য বলছে, ২০১৮-২৫ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া ২৯১ জন শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তার পাওনা রয়েছে ২০ কোটি ২২ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।
জনপ্রিয়

চৌগাছার ইজিবাইক–প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষ, শিক্ষার্থীসহ আহত ৭

পাওনা টাকা পরিশোধের দাবিতে সুগারমিল কর্মকর্তা-কর্মচারিদের প্রতিবাদ

প্রকাশের সময় : ১০:৪৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ
পাওনা টাকা পরিশোধের দাবিতে ঠাকুরগাঁও সুগারমিল কর্মকর্তা-কর্মচারিরা মাননববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেছে।
রোববার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতি ঠাকুরগাঁও চিনিকল লিমিডেট এর ব্যানারে সুপারমিলের সামনে এ কর্মসুচি পালন করেন তারা।
কয়েক ঘন্টা ধরে চলা কর্মসুচীতে আন্দোলনকারি নেতৃত্বে থাকা ওবাইদুর রহমান, নাসিমুর রহমান, আব্দুর রহমান, রুহুল আমিন, মকবুল হোসেন, আব্দুল আল মাহমুদসহ অকেকেই অভিযোগ করে বলেন, বছরের পর বছর অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের গ্র্যাচুইটিসহ অন্যান্য পাওনাদি এখনো পরিশোধ করেননি। সে কারনে আজ রাজপথে নামতে বাধ্য হয়েছেন।
তারা বলেন, অবিলম্বে অবসরপ্রাপ্তদের গ্র্যাচুইটির বকেয়া পাওনা ক্ষতিপূরণসহ সমূদয় অর্থ পরিশোধ করতে হবে, একই সাথে সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী অবসরপ্রাপ্তদের উৎসব বোনাস, বৈশাখী ভাতা এবং চিকিৎসা ভাতা প্রদান করতে হবে।
বাতিল করতে হবে অবসরপ্রাপ্তদের গ্র্যাচুইটির ২০% অর্থ প্রদান সংক্রান্ত বোর্ডের সিদ্ধান্ত।
দ্রুত সময়ের মধ্যে পাওনাদি অর্থ পরিশোধ করা না হলে ঐক্যবন্ধ হয়ে ঢাকার রাজপথে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন তারা।
এর আগে তারা বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেন। কর্মসুচি পালন শেষে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক  মোঃ শাহজাহান কবিরের মাধ্যমে মাননীয় প্রধাণ উপদেষ্টা ও শিল্প মন্ত্রণালয় বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের জন্য দাবিসমুহ কাগজপত্র তুলে দেন।
সংগঠনের নেতাদের তথ্য বলছে, ২০১৮-২৫ সাল পর্যন্ত অবসরে যাওয়া ২৯১ জন শ্রমিক, কর্মচারী ও কর্মকর্তার পাওনা রয়েছে ২০ কোটি ২২ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।