শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ, হাসপাতালে অস্ত্রোপচার

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কর্ণসূতি গ্রাম থেকে সিএনজি করে কিশোরীকে তুলে নিয়ে জামতৈল রেলস্টেশনের পূর্বপাশের একটি ঘরে ধর্ষণ করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন (২০ অক্টোবর) সকালে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
হাসপাতালের গাইনী বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক পার্থ সাহা বলেন, মেয়েটির বিশেষ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত ছিল, যা সারিয়ে তোলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায়, জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের কারণেই এই ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভর্তি করার সময় একজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন, যাকে পরিবারের সদস্যরা তাদের আত্মীয় হিসেবে পরিচয় দেন।
হাসপাতালে কিশোরীর সঙ্গে থাকা এক নারী নিজেকে তার মা পরিচয় দিলেও নাম-পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “আমাদের কারও সাহায্য প্রয়োজন নেই, আমরা নিজেরাই সমাধান করব।”
হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ. টি. এম. নুরুজ্জামান বলেন, রোগী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে, তারপর মন্তব্য করা যাবে।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল লতিফ বলেন, মেয়েটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা মামলা নেব, তদন্ত চলছে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
জনপ্রিয়

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান পাহলভির

সিরাজগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগ, হাসপাতালে অস্ত্রোপচার

প্রকাশের সময় : ১২:৪৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অবস্থায় তাকে শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কর্ণসূতি গ্রাম থেকে সিএনজি করে কিশোরীকে তুলে নিয়ে জামতৈল রেলস্টেশনের পূর্বপাশের একটি ঘরে ধর্ষণ করা হয়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন (২০ অক্টোবর) সকালে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়।
হাসপাতালের গাইনী বিভাগের ইন্টার্ন চিকিৎসক পার্থ সাহা বলেন, মেয়েটির বিশেষ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত ছিল, যা সারিয়ে তোলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যায়, জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের কারণেই এই ক্ষতি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ভর্তি করার সময় একজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন, যাকে পরিবারের সদস্যরা তাদের আত্মীয় হিসেবে পরিচয় দেন।
হাসপাতালে কিশোরীর সঙ্গে থাকা এক নারী নিজেকে তার মা পরিচয় দিলেও নাম-পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছা জানান। তিনি বলেন, “আমাদের কারও সাহায্য প্রয়োজন নেই, আমরা নিজেরাই সমাধান করব।”
হাসপাতালের পরিচালক ডা. এ. টি. এম. নুরুজ্জামান বলেন, রোগী সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে, তারপর মন্তব্য করা যাবে।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল লতিফ বলেন, মেয়েটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আমরা মামলা নেব, তদন্ত চলছে।
ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।