শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে ক্ষতিকর রঙ মিশিয়ে চিপস উৎপাদন, কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকর লেবেলবিহীন রঙ মিশিয়ে চিপস তৈরির অভিযোগে একটি কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রৌহা ধানগড়া এলাকায় মেসার্স সোনার বাংলা পটেটো চিপস কারখানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সোহলে শেখ এবং নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান।
সহকারী পরিচালক মো. সোহলে শেখ জানান, কারখানাটিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লেবেলবিহীন ক্ষতিকর রং, রাসায়নিক হাইড্রোজ এবং খোলা লবণ ব্যবহার করে চিপস উৎপাদন করা হচ্ছিল। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় কারখানাটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে টাস্কফোর্সের সদস্য, কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) প্রতিনিধি এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়

ক্ষেতলালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন বিএনপির এমপি প্রার্থী আব্দুল বারী 

সিরাজগঞ্জে ক্ষতিকর রঙ মিশিয়ে চিপস উৎপাদন, কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকর লেবেলবিহীন রঙ মিশিয়ে চিপস তৈরির অভিযোগে একটি কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রৌহা ধানগড়া এলাকায় মেসার্স সোনার বাংলা পটেটো চিপস কারখানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের যৌথ অভিযানে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সোহলে শেখ এবং নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান।
সহকারী পরিচালক মো. সোহলে শেখ জানান, কারখানাটিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে লেবেলবিহীন ক্ষতিকর রং, রাসায়নিক হাইড্রোজ এবং খোলা লবণ ব্যবহার করে চিপস উৎপাদন করা হচ্ছিল। এ কারণে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় কারখানাটিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে টাস্কফোর্সের সদস্য, কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) প্রতিনিধি এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।