শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে ছয় দফা দাবিতে মিল্কভিটায় দুধ সরবরাহ বন্ধ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সমবায়ী খামারিরা দুধের দাম বৃদ্ধি ও ছয় দফা দাবিতে মিল্কভিটায় দুধ সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন। রোববার সকাল থেকে তারা নিজ নিজ খামার থেকে দুধ সংগ্রহ করলেও মিল্কভিটায় সরবরাহ না করে স্থানীয় ঘোষদের কাছে বিক্রি করছেন।
বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সমন্বয়করা জানিয়েছেন, গো-খাদ্যের মূল্য ধারাবাহিকভাবে বেড়ে গেলেও মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষ সেই অনুপাতে দুধের দাম বাড়ায়নি। বর্তমানে মিল্কভিটা দুধ কিনছে প্রতি লিটার ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। খামারিরা দুধের মূল্য ৬০ টাকা নির্ধারণসহ উৎপাদন খরচ অনুযায়ী দাম সমন্বয়ের দাবি তুলেছেন।
শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিল্লাল হোসেন জানান, উপজেলায় প্রায় ৩০ হাজার ছোট-বড় গো-খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ লাখ লিটার দুধ উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত দুধ সমবায়ী খামারিদের মাধ্যমে মিল্কভিটা, অন্যান্য দুধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়।
খামারিরা জানিয়েছেন, তাদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়িত হলে তারা পুনরায় মিল্কভিটায় দুধ সরবরাহ শুরু করবেন।
জনপ্রিয়

চট্টগ্রামের উন্নয়নে আবদুল্লাহ আল নোমানের অবদান চিরস্মরণীয়

সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরে ছয় দফা দাবিতে মিল্কভিটায় দুধ সরবরাহ বন্ধ

প্রকাশের সময় : ০২:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে সমবায়ী খামারিরা দুধের দাম বৃদ্ধি ও ছয় দফা দাবিতে মিল্কভিটায় দুধ সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন। রোববার সকাল থেকে তারা নিজ নিজ খামার থেকে দুধ সংগ্রহ করলেও মিল্কভিটায় সরবরাহ না করে স্থানীয় ঘোষদের কাছে বিক্রি করছেন।
বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেডের সমন্বয়করা জানিয়েছেন, গো-খাদ্যের মূল্য ধারাবাহিকভাবে বেড়ে গেলেও মিল্কভিটা কর্তৃপক্ষ সেই অনুপাতে দুধের দাম বাড়ায়নি। বর্তমানে মিল্কভিটা দুধ কিনছে প্রতি লিটার ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়। খামারিরা দুধের মূল্য ৬০ টাকা নির্ধারণসহ উৎপাদন খরচ অনুযায়ী দাম সমন্বয়ের দাবি তুলেছেন।
শাহজাদপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিল্লাল হোসেন জানান, উপজেলায় প্রায় ৩০ হাজার ছোট-বড় গো-খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ লাখ লিটার দুধ উৎপাদিত হয়। উৎপাদিত দুধ সমবায়ী খামারিদের মাধ্যমে মিল্কভিটা, অন্যান্য দুধ সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হয়।
খামারিরা জানিয়েছেন, তাদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়িত হলে তারা পুনরায় মিল্কভিটায় দুধ সরবরাহ শুরু করবেন।