শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে অধ্যাপক নাহরিন ইসলামের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতার মানহানির মামলা

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
মঙ্গলবার সকালে সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সদর থানা আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে. এম. শাহরিয়ার শহিদ বাপ্পি বাদীর দাখিল করা আরজি গ্রহণ করে আদেশের অপেক্ষায় রেখেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৫ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন গাজী টিভির ‘টাইমলাইন বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারিকে নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।
বাদী অভিযোগ করেন, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে তার সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ঘটনাটি জামায়াতপন্থী কর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।
আদালত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য মামলাটি রায়ের অপেক্ষায় রেখেছেন।
জনপ্রিয়

তারেক রহমান সপরিবারে যমুনায়

সিরাজগঞ্জে অধ্যাপক নাহরিন ইসলামের বিরুদ্ধে জামায়াত নেতার মানহানির মামলা

প্রকাশের সময় : ১২:৩৯:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নাহরিন ইসলাম খানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ও সিরাজগঞ্জ-২ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।
মঙ্গলবার সকালে সিরাজগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সদর থানা আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালতের বিচারক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কে. এম. শাহরিয়ার শহিদ বাপ্পি বাদীর দাখিল করা আরজি গ্রহণ করে আদেশের অপেক্ষায় রেখেছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত ২৫ অক্টোবর বেসরকারি টেলিভিশন গাজী টিভির ‘টাইমলাইন বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারিকে নিয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।
বাদী অভিযোগ করেন, ওই বক্তব্যের মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিকভাবে তার সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ঘটনাটি জামায়াতপন্থী কর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেও বিভ্রান্তির সৃষ্টি করেছে।
আদালত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পরবর্তী আদেশের জন্য মামলাটি রায়ের অপেক্ষায় রেখেছেন।