
যশোর অফিস
সিলেটে ব্লক রেইড দিয়ে বাসদ অফিস থেকে ২২ জন শ্রমিক নেতা–কর্মী ও সিপিবি নেতা অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমনসহ মোট ৩৭ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বাম গণতান্ত্রিক জোট যশোর জেলা কমিটি এক বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে। আজ মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বাম গণতান্ত্রিক জোট যশোর জেলার সমন্বয়ক ও বাসদ নেতা কমরেড হাসিনুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের নেতা কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও যশোর জেলা সম্পাদক কমরেড তসলিম উর রহমান, সিপিবি যশোর জেলা সভাপতি কমরেড মাহবুবুর রহমান মজনু, বাসদ নেতা কমরেড আলাউদ্দিন, রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা আব্দুল জলিল, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা রাশেদ খান ও ইমরান হোসেন প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও জোটের জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য কমরেড জিল্লুর রহমান ভিটু।
সমাবেশে কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ বলেন, “২৪ জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে শ্রমজীবী মানুষের অংশগ্রহণ ছিল এবং তারা রক্তও দিয়েছে। সেই শ্রমজীবীদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আজ তাদের পেটে লাথি মারছে। ব্যাটারি চালিত রিকশা বন্ধের নামে বামপন্থী নেতাকর্মীদের আটক করা হচ্ছে, ঢাকায় হকার উচ্ছেদ করা হচ্ছে, ১৪ মাসে ৭ জন শ্রমিককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এখন নতুন করে বিভিন্ন শিল্পকারখানা বন্ধের পথে হাঁটা হচ্ছে। দেশের বন্দর ও কৃষি খাত বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের হাতে নিরপেক্ষ নির্বাচন হওয়া নিয়ে সংশয় রয়েছে। ব্যক্তি বা সংগঠন অপসারণে সাধারণ মানুষের মুক্তি হবে না; ব্যবস্থা পরিবর্তনই একমাত্র পথ।”
তিনি সিলেটে আটককৃত সব নেতাকর্মীর অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেন।
সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
যশোর অফিস 







































