শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে অটোচালক হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার অলিদহ গ্রামের অটো মিশুকচালক আমিরুল ইসলাম হত্যার ঘটনাটি উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে নিহতের অটোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত আমিরুল ইসলাম (২০) গত ৫ আগস্ট দুপুরে মিশুক নিয়ে ভাড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে সলঙ্গা থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পরবর্তীতে ১৮ অক্টোবর বিকেলে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চক নিহাল উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ডোবার কচুরিপানার নিচে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আমিরুলের মা কাপড় দেখে লাশটি শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় সলঙ্গা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেনের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান ও জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি একরামুল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হত্যার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। তারা হলো—সাহেব আলী প্রামানিক (২৫), পিতা মৃত সোহরাব আলী, চক নিহাল, সলঙ্গা; আব্দুল আজিম প্রাং (৩১), পিতা মৃত আব্দুল বাহের, ওয়াসিন, তাড়াশ; এবং মনিরুজ্জামান সরকার (৪৪), পিতা মৃত শাহজাহান আলী, চক নিহাল, সলঙ্গা।
গ্রেপ্তারের পর আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয় নিহতের লুন্ঠিত অটোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, যার মধ্যে রয়েছে একটি হ্যান্ডেল, দুটি স্কাপ, একটি মিটার, একটি নষ্ট হেডলাইট, তিনটি চাকা, অটোগাড়ির বডি এবং চারটি ব্যাটারি—এর মধ্যে তিনটি JINDING POWER PLUS এবং একটি H-POWER PLUS কোম্পানির ব্যাটারি।
গ্রেপ্তারকৃত তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জনপ্রিয়

তারেক রহমান সপরিবারে যমুনায়

সিরাজগঞ্জে অটোচালক হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি 
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার অলিদহ গ্রামের অটো মিশুকচালক আমিরুল ইসলাম হত্যার ঘটনাটি উদ্ঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে নিহতের অটোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত আমিরুল ইসলাম (২০) গত ৫ আগস্ট দুপুরে মিশুক নিয়ে ভাড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। পরিবারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজির পরও সন্ধান না পেয়ে সলঙ্গা থানায় একটি নিখোঁজ সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
পরবর্তীতে ১৮ অক্টোবর বিকেলে রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চক নিহাল উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ডোবার কচুরিপানার নিচে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আমিরুলের মা কাপড় দেখে লাশটি শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় সলঙ্গা থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তে সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. ফারুক হোসেনের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম খান ও জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি একরামুল হোসাইনের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল গঠন করা হয়।
তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হত্যার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। তারা হলো—সাহেব আলী প্রামানিক (২৫), পিতা মৃত সোহরাব আলী, চক নিহাল, সলঙ্গা; আব্দুল আজিম প্রাং (৩১), পিতা মৃত আব্দুল বাহের, ওয়াসিন, তাড়াশ; এবং মনিরুজ্জামান সরকার (৪৪), পিতা মৃত শাহজাহান আলী, চক নিহাল, সলঙ্গা।
গ্রেপ্তারের পর আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয় নিহতের লুন্ঠিত অটোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, যার মধ্যে রয়েছে একটি হ্যান্ডেল, দুটি স্কাপ, একটি মিটার, একটি নষ্ট হেডলাইট, তিনটি চাকা, অটোগাড়ির বডি এবং চারটি ব্যাটারি—এর মধ্যে তিনটি JINDING POWER PLUS এবং একটি H-POWER PLUS কোম্পানির ব্যাটারি।
গ্রেপ্তারকৃত তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।