রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্দর ইজারা সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান পেশাজীবি পরিষদের

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, চলতি বছরের ডিসেম্বরে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা দেশি বা বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সংগঠনটি সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে অবিলম্বে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
সোমবার সকালে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রামের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি ও সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রতিবছর আড়াই হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা অর্জন করছে। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে এটি নিজস্ব সক্ষমতায় সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে; তাই এখানে বিদেশি অপারেটরের কোনো প্রয়োজন নেই।
জাহিদুল করিম কচি ও ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের চারটি কনটেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগ ও পরিচালনার জন্য বিদেশি অপারেটর নিয়োগের বিষয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। আওয়ামী লীগ সরকারের তৃতীয় মেয়াদে শুরু হওয়া সেই প্রক্রিয়া বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও এগিয়ে নিচ্ছে, যা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী।
তারা আরও বলেন, দেশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হলে তা দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে। জনগণের স্বার্থে সরকারকে এই ইজারা পরিকল্পনা অবিলম্বে বাতিল করার জন্য জোর দাবি জানানো হয়।
জনপ্রিয়

‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ফটোকার্ড শেয়ার ড. ইউনূসের

বন্দর ইজারা সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান পেশাজীবি পরিষদের

প্রকাশের সময় : ০৫:০৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রাম গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, চলতি বছরের ডিসেম্বরে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা দেশি বা বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সংগঠনটি সরকারকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত থেকে অবিলম্বে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছে।
সোমবার সকালে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ, চট্টগ্রামের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি ও সদস্য সচিব ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী এক যৌথ বিবৃতিতে এই আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রতিবছর আড়াই হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা অর্জন করছে। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে এটি নিজস্ব সক্ষমতায় সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে; তাই এখানে বিদেশি অপারেটরের কোনো প্রয়োজন নেই।
জাহিদুল করিম কচি ও ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের চারটি কনটেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগ ও পরিচালনার জন্য বিদেশি অপারেটর নিয়োগের বিষয়ে দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। আওয়ামী লীগ সরকারের তৃতীয় মেয়াদে শুরু হওয়া সেই প্রক্রিয়া বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারও এগিয়ে নিচ্ছে, যা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী।
তারা আরও বলেন, দেশের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরকে বিদেশি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হলে তা দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে। জনগণের স্বার্থে সরকারকে এই ইজারা পরিকল্পনা অবিলম্বে বাতিল করার জন্য জোর দাবি জানানো হয়।