বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিহারে এনডিএ’র ভূমিধস জয়, মোদির নজর এখন পশ্চিমবঙ্গে

ছবি: সংগৃহীত

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ভূমিধস বিজয় পেয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বিহারের এই জয় পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিজয়ের পথ তৈরি করবে।

২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভার ভোট হয় দুই দফায়। ৬ নভেম্বর প্রথম দফায় ১২১ আসনে ৬৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে। ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় ১২২ আসনে ভোট হয়, এ দফায় ভোট পড়ে ৬৮ শতাংশের বেশি। দুই দফা মিলিয়ে মোট ভোট পড়ে প্রায় ৬৭ শতাংশ। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় ভোট গণনা এবং রাতে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।

মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল এনডিএ জোটের সঙ্গে কংগ্রেস–আরজেডি নেতৃত্বাধীন মহাগঠবন্ধনের। ফলাফলে দেখা যায়, ২৪২ আসনের মধ্যে এনডিএ জোট জয় পেয়েছে ২০২টিতে। বিরোধী জোট পেয়েছে মাত্র ৩৫টি আসন। বাকি ৬টি আসনও এনডিএ শরিকদের দখলে গেছে।

বিজেপি একাই পেয়েছে ৮৯টি আসন। দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক নীতিশ কুমারের জেডিইউ পেয়েছে ৮৫টি আসন। এছাড়া লোক জনশক্তি পার্টি ১৯টি এবং জিতেন রাম মাঝির আওয়াম মোর্চা পেয়েছে ৫টি আসন।

এ নির্বাচনে আলোচনায় ছিল ভোটকৌশলীর দল জন সুরাজ পার্টি। তবে কোনো আসনই পায়নি তারা। উল্টো চমক দেখিয়েছে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম—জয় পেয়েছে ৫টি আসনে।

বিজয়ের পর নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘কিছু দল সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করেছে, কিন্তু বিহারের নারী ও তরুণরা এনডিএ–কে বিজয় দিয়েছে।’

পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গঙ্গা বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রবাহিত হয়। বিহারের ফলাফল পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের ভিত্তি তৈরি করেছে। বাংলার মানুষকে আশ্বস্ত করছি—আমরা একসঙ্গে জঙ্গলরাজ দূর করব।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

বিহারে এনডিএ’র ভূমিধস জয়, মোদির নজর এখন পশ্চিমবঙ্গে

প্রকাশের সময় : ০৯:০৯:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ভূমিধস বিজয় পেয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, বিহারের এই জয় পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিজয়ের পথ তৈরি করবে।

২৪৩ আসনের বিহার বিধানসভার ভোট হয় দুই দফায়। ৬ নভেম্বর প্রথম দফায় ১২১ আসনে ৬৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে। ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায় ১২২ আসনে ভোট হয়, এ দফায় ভোট পড়ে ৬৮ শতাংশের বেশি। দুই দফা মিলিয়ে মোট ভোট পড়ে প্রায় ৬৭ শতাংশ। শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় ভোট গণনা এবং রাতে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন।

মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল এনডিএ জোটের সঙ্গে কংগ্রেস–আরজেডি নেতৃত্বাধীন মহাগঠবন্ধনের। ফলাফলে দেখা যায়, ২৪২ আসনের মধ্যে এনডিএ জোট জয় পেয়েছে ২০২টিতে। বিরোধী জোট পেয়েছে মাত্র ৩৫টি আসন। বাকি ৬টি আসনও এনডিএ শরিকদের দখলে গেছে।

বিজেপি একাই পেয়েছে ৮৯টি আসন। দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক নীতিশ কুমারের জেডিইউ পেয়েছে ৮৫টি আসন। এছাড়া লোক জনশক্তি পার্টি ১৯টি এবং জিতেন রাম মাঝির আওয়াম মোর্চা পেয়েছে ৫টি আসন।

এ নির্বাচনে আলোচনায় ছিল ভোটকৌশলীর দল জন সুরাজ পার্টি। তবে কোনো আসনই পায়নি তারা। উল্টো চমক দেখিয়েছে আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম—জয় পেয়েছে ৫টি আসনে।

বিজয়ের পর নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘কিছু দল সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করেছে, কিন্তু বিহারের নারী ও তরুণরা এনডিএ–কে বিজয় দিয়েছে।’

পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘গঙ্গা বিহার থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রবাহিত হয়। বিহারের ফলাফল পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়ের ভিত্তি তৈরি করেছে। বাংলার মানুষকে আশ্বস্ত করছি—আমরা একসঙ্গে জঙ্গলরাজ দূর করব।