সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসে ইবিতে বৈছাআ’র সাইকেল র‍্যালি

ইবি প্রতিনিধি 

আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসে একাত্মতা জানিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সম্মিলিত সাইকেল র‍্যালি করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখা।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে শুরু হয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

এসময় শাখা আহ্বায়ক এস. এম. সুইট, সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ, মুখ্য সংগঠক গোলাম রাব্বানী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পঙ্কজ রায়, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুবাশশির আমিনসহ ত্রিশোর্ধ শিক্ষার্থী সাইকেল রাইডে অংশ নেন।

র‍্যালিতে তারা সাইকেলে ফিলিস্তিনি পতাকা বেঁধে মুখে ‘ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ফ্রম দ্যা রিভার টু দ্যা সি, প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি, ‘ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ, ইজরাইল মুর্দাবাদ’ শ্লোগান দিতে থাকে।

শাখা সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ বলেন, “ফিলিস্তিনের জনগণের উপর যে অমানবিক নির্যাতন এবং গণহত্যা চালানো হয়েছে, তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এবং আন্তর্জাতিকভাবে এই শাস্তি যেন নিশ্চিত করা হয়, সেই দাবিতে আজকের এই সাইকেল রাইড।”

মুখ্য সংগঠক গোলাম রাব্বানী বলেন, “আপনারা দেখেছেন ফিলিস্তিনে কতটা অমানবিক নির্যাতন চলছে, হত্যাকাণ্ড চলছে। পৃথিবীর অনেক সংস্থা আছে যারা মায়াকান্না করতেছে। কিন্তু আসলে যে ফিলিস্তিনের জন্য প্রকৃতভাবে যে কাজটা করা দরকার তারা কিন্তু করতেছে না। আজকে ফিলিস্তিন সংহতি দিবস। ইবি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে সংহতি জানিয়ে ক্যাম্পাসে আমাদের এই রাইড ।

ইবি শাখা আহ্বায়ক এস. এম. সুইট বলেন, “ফিলিস্তিনে যে মুক্তির আন্দোলন চলছে, আজকে বিশ্ব ফিলিস্তিন সংহতি দিবসে তাদের সাথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংহতি জানিয়ে আজকে আমাদের এই আয়োজন। ইবির বিবেকবান শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনীদের সাথে আছে, আমরা বাইসাইকেল রাইডের মাধ্যমে সেই বার্তা দিতে চেয়েছি। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের আপামর জনতাকে আমরা জানাতে চাই যে, আপনাদের সাথে আমরা আছি। আপনাদের যে ন্যায্য দাবি, আপনাদের যে মুক্তির যে আন্দোলন, বিশেষ করে ইসরাইলী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে আপনাদের লড়াই, সে আপনাদের লড়াইয়ে আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আছি। আপনারা আপনাদের লড়াই চালিয়ে যান। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চটুকু সংহতি জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ দিনটিকে ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশে ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস’ হিসেবে গ্রহণ করে। এরপর থেকেই দিনটি ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিনি সংহতি দিবস’ হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে।

জনপ্রিয়

চৌগাছার ইজিবাইক–প্রাইভেটকার মুখোমুখি সংঘর্ষ, শিক্ষার্থীসহ আহত ৭

আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসে ইবিতে বৈছাআ’র সাইকেল র‍্যালি

প্রকাশের সময় : ০৭:২১:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ইবি প্রতিনিধি 

আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবসে একাত্মতা জানিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সম্মিলিত সাইকেল র‍্যালি করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখা।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে শুরু হয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে গিয়ে সমাপ্ত হয়।

এসময় শাখা আহ্বায়ক এস. এম. সুইট, সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ, মুখ্য সংগঠক গোলাম রাব্বানী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পঙ্কজ রায়, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মুবাশশির আমিনসহ ত্রিশোর্ধ শিক্ষার্থী সাইকেল রাইডে অংশ নেন।

র‍্যালিতে তারা সাইকেলে ফিলিস্তিনি পতাকা বেঁধে মুখে ‘ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন’, ফ্রম দ্যা রিভার টু দ্যা সি, প্যালেস্টাইন উইল বি ফ্রি, ‘ফিলিস্তিন জিন্দাবাদ, ইজরাইল মুর্দাবাদ’ শ্লোগান দিতে থাকে।

শাখা সদস্য সচিব ইয়াশিরুল কবির সৌরভ বলেন, “ফিলিস্তিনের জনগণের উপর যে অমানবিক নির্যাতন এবং গণহত্যা চালানো হয়েছে, তার জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এবং আন্তর্জাতিকভাবে এই শাস্তি যেন নিশ্চিত করা হয়, সেই দাবিতে আজকের এই সাইকেল রাইড।”

মুখ্য সংগঠক গোলাম রাব্বানী বলেন, “আপনারা দেখেছেন ফিলিস্তিনে কতটা অমানবিক নির্যাতন চলছে, হত্যাকাণ্ড চলছে। পৃথিবীর অনেক সংস্থা আছে যারা মায়াকান্না করতেছে। কিন্তু আসলে যে ফিলিস্তিনের জন্য প্রকৃতভাবে যে কাজটা করা দরকার তারা কিন্তু করতেছে না। আজকে ফিলিস্তিন সংহতি দিবস। ইবি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন থেকে সংহতি জানিয়ে ক্যাম্পাসে আমাদের এই রাইড ।

ইবি শাখা আহ্বায়ক এস. এম. সুইট বলেন, “ফিলিস্তিনে যে মুক্তির আন্দোলন চলছে, আজকে বিশ্ব ফিলিস্তিন সংহতি দিবসে তাদের সাথে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংহতি জানিয়ে আজকে আমাদের এই আয়োজন। ইবির বিবেকবান শিক্ষার্থীরা ফিলিস্তিনীদের সাথে আছে, আমরা বাইসাইকেল রাইডের মাধ্যমে সেই বার্তা দিতে চেয়েছি। এর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের আপামর জনতাকে আমরা জানাতে চাই যে, আপনাদের সাথে আমরা আছি। আপনাদের যে ন্যায্য দাবি, আপনাদের যে মুক্তির যে আন্দোলন, বিশেষ করে ইসরাইলী দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যে আপনাদের লড়াই, সে আপনাদের লড়াইয়ে আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আছি। আপনারা আপনাদের লড়াই চালিয়ে যান। আমরা আমাদের জায়গা থেকে সর্বোচ্চটুকু সংহতি জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, ১৯৭৭ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ দিনটিকে ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশে ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিন সংহতি দিবস’ হিসেবে গ্রহণ করে। এরপর থেকেই দিনটি ‘আন্তর্জাতিক ফিলিস্তিনি সংহতি দিবস’ হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হয়ে আসছে।